অনিয়মকে নিয়ম করছে ইউনিয়ন ভূমি অফিস! এই ভোগান্তির দায় কার?

অনিয়মকে নিয়ম করছে ইউনিয়ন ভূমি অফিস! এই ভোগান্তির দায় কার?

5
তুষার আহাম্মেদ- মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অনিয়মকে নিয়ম করে অফিসের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এ অনিমের ভোগান্তির শিকার হয়েছে বলে ভুক্তভোগির মাধ্যমে জানা যায়।
ভুক্তভোগী জানান জমি ক্রয়ের পর সম্পাদিত দলিল  ও আনুষঙ্গিক কাগজপত্র দিয়ে ইমামপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারির প্রস্তাব করলে কাগজপত্র পর্যালোচনা করিয়া আমার বাবা লতিফ শিকদারের নামে নতুন খতিয়ানে নাম অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন করলে তাহা মঞ্জুর হয়।
নিজ নামে নামজারি খতিয়ান  এস, এ, ৩৫২ আর এস খতিয়ান ২২৩,১৭৪ দাগে ৩২ শতাংশ নাল জমি, কেইস নং২৭২-২/২০০০-২০০১ তারিখে করাইয়া মালিক থাকেন।  নামজারির পরে উক্ত দাগে ভূমি উন্নয়ন কর  ইউনিয়ন ভূমি সহকারী  কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) উক্ত দাগে ভূমি উন্নয়ন করের চেক কর্তন  করেন।
ইউনিয়ন ভূমি অফিস সত্ত প্রমাণিত করে নতুন খতিয়ান দিলেও জোতের মূল ভলিয়াম হতে করিম খাঁ মৌজার ১৭৪ দাগের জমি কর্তন না করে পূর্বের ন্যায় রেখে দেয়।
এই দায়িত্বরত ভূমি কর্মকর্তা কর্মচারীরা অনৈতিক সুযোগ সুবিধা নেওয়ার জন্য নিজস্ব সৃষ্টির গাফিলতির কারণে সাফ কবলা দলিল মূলে মালিকদের পুনরায় ভোগান্তিতে ফেলে দেয় বলেই প্রমাণিত হয়।
তাই হালনাগাদ খাজনার চেক জোত মালিকদের অনুকূলে থাকার কারণে সাফ কবলা দলিল মূলে মালিকদের বিভিন্ন সময় ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
তারই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩১/০৮/২০২১ তারিখে করিম খাঁ মৌজার ১৭৪ দাগে ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা জোত মালিকদের ওয়ারিশদের বরাবর হালনাগাদ খাজনা পরিষদের চেক কর্তন করে।
পরের দিন ০১/০৯/২০২১ তারিখে ১৭৪ দাগে সাফ কবলা দলিল মূলে মালিক লতিফ শিকদারের ওয়ারিশগন হালনাগাদ ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে গেলে ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা আরেকটি চেক কর্তন করে। ঠিক তখনই অনিয়মের চিত্রটি সামনে চলে আসে।
ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন হালনাগাদ কয়টি চেক কর্তন করা হয়?
ভূমির মালিকগণ নিজ নামের নতুন খতিয়ান তৈরীর জন্য উপজেলা ভূমি কমিশনার বরাবর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে
নিজ নামে নতুন খতিয়ান তৈরি করে দেয় সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তারা। তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছা বা গাফিলতি যাই বলুক অনিয়মের শিকার হয়ে ভোগান্তিতে পড়ে প্রকৃত ভূমির মালিকরা।
এ ব্যাপারে গজারিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান ভূমি উন্নয়ন করের নীতিমালায় ভূমিকর পরিশোধ করবে।
এ ব্যাপারে ইমামপুর ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ( ভার:) ইয়াসমিন সুলতানা কে প্রশ্ন করলে জানান যেহেতু জোতের বা মূল মালিকদের দাগের সম্পত্তি হতে কর্তন হয়নি সেহেতু জোতের ওয়ারিশরা ওই দাগ হতে হালনাগাদ ভূমি উন্নয়ন কর প্রধান করতে পারে।

Comments are closed.

%d bloggers like this: