ইছাপুরায় অটোযাত্রীরা চালকদের হাতে জিম্মী

42

কাজী বিপ্লব হাসান: মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরায় ব্যাটারি চালিত অটোচালকদের হাতে যাত্রীরা জিম্মী।

ইছাপুরা চৌরাস্তায় ব্যাটারি চালিত অটোচালকের হাতে জিম্মী হয়ে পড়েছে যাত্রীরা। এখানে ব্যাটারি চালিত অটোর ভাড়ার কোন নিয়ম নীতি নেই। ইছাপুরা চৌরাস্তা থেকে মালখা নগর চৌরাস্তা পর্যন্ত অটোভাড়া চালকদের নির্ধারিত দশ টাকা হলেও মোস্তাফা গঞ্জ মাদ্রাসা, রমনা বাজার অথবা পাওয়ার হাউজে এসে নামলেও দশ টাকা দিতে হয় ইতিপূর্বে এই ভাড়া পাঁচ টাকা নির্ধারিত ছিল। এছাড়া ইছাপুরা থেকে বেতকা পর্যন্ত বিশ টাকা এবং বেতকা থেকে মুক্তারপুর পর্যন্ত পনেরো টাকা ভাড়া চালকদের নির্ধারিত হলেও ইছাপুরা থেকে সরাসরি মুক্তারপুরে আসলে তারা চল্লিশ টাকা আদায় করে থাকে। অথচ পূর্বে সরাসরি ভাড়া ছিল ত্রিশ টাকা।অপরদিকে ইছাপুরা থেকে সিংপাড়া বাজার পর্যন্ত চালকদের নির্ধারিত ভাড়া বিশ টাকা। কিন্তু ইছাপুরা থেকে কুসুমপুর পর্যন্ত ভাড়া নেওয়া হয় দশ টাকা। ইছাপুরা থেকে কুসুমপুরের দূরত্ব সিংপাড়ার দূরত্বের চার ভাগের এক ভাগ হলেও দশ টাকা ভাড়া আদায় করা হয়।তাই যাত্রীর সাধারণের দাবি ইছাপুরা থেকে কুসুমপুরের ভাড়া পূর্বের মত পাঁচ টাকা নির্ধারিত করা হোউক। ইছাপুরা থেকে বিভিন্ন সড়কে চলাচলকারী ব্যাটারি চালিত রিকশার ভাড়ার কোন নিয়ম নীতি নেই। চালকরা তাদের ইচ্ছামত ভাড়া আদায় করে থাকে। এছাড়া অটোর পিছনে দুই সিটে দুইজন করে চারজন এবং সামনে চালকের বাম পাশে একজন করে যাত্রী বসার নিয়ম থাকলেও এরা পিছনে দুই সিটে তিনজন করে ছয়জন ও সামনে চালকের ডানে ও বামে দুইজন করে যাত্রী বসিয়ে থাকে। এ বিষয়ে যাত্রীরা কোন প্রতিবাদ করলে তখন চালকরা তার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে অসৌজন্য আচরণ করে থাকে। ডানপাশ দিয়ে যাত্রী উঠানামা ট্রাফিক আইনে নিষিদ্ধ থাকলেও এরা তা মানচ্ছে না। ডানপাশে লোহার রেলিং দেওয়া থাকলেও তারা কৌশল করে হুকের মাধ্যমে সেটি খোলা ও লাগানো ব্যবস্থা রেখেছে। তাই এখানে যাতে যানচলাচলের নিয়ম নীতি বজায় থাকে এজন্য এলাকাবাসী এখানে একটি ট্রাফিক বক্স স্থাপনেরও দাবি জানিয়েছে।

Comments are closed.

%d bloggers like this: