কঠোর লকডাউনে ভালো নেই লৌহজংয়ের পোল্ট্রি ফার্ম মালিকরা

14
তুষার আহাম্মেদ- চারিদিকে করোনার প্রাদুর্ভাব। এর মধ্যে চলছে দ্বিতীয় সপ্তাহের কঠোর লকডাউন। লৌহজংয়ের দশটি ইউনিয়নে ছোট-বড় প্রায় ৮০/৯০ টি পোল্ট্রি ফার্ম রয়েছে। এদের মধ্যে ২/৪ জন ছাড়া কারোই ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না। একদিকে মুরগির খাবারের (পোল্ট্রি ফিড) দাম এই বছরে দুইবার বৃদ্ধি পেয়েছে, আরেকবার বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে একটি মুরগির বাচ্চা সরকারি হিসেব ২১/২২ টাকা খরচ পড়ে কিন্তু বাজার থেকে খামারিদের কিনতে হয় প্রায় ৫০/৬০ টাকা হিসেবে। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী বিয়ে শাদি ও সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ থাকায় মুরগির চাহিদা অনেক কমে গেছে।
বৌলতলী ইউনিয়নের মাইজগাঁও গ্রামের মোঃ সাইফুল মোল্লা জানান, তিনি দেশি জাতের মুরগীর খামার দিয়েছেন। চাহিদা থাকা সত্ত্বেও লাভবান হচ্ছেন না। মুরগীর খাবার ও ওষুধের দাম দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। তারপর আছে রোগ বালাই। তাই লোকসান গুনতে হচ্ছে।
 আরেক পোল্ট্রি ফার্মের মালিক শেখ জামান বলেন, আমাদের প্রশিক্ষণের অভাবে সঠিক নিয়মে মুরগি পালন না করায় আমাদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। দেখা গেছে একটি ফার্মের দু-চারটি মুরগি অসুস্থ হলে আমরা খামারের সব মুরগিকে ওষুধ দিয়ে থাকি। এতে করে খরচ বেড়ে যায়। আক্রান্ত মুরগিগুলো কে আলাদা করে চিকিৎসা দিলে এই সমস্যায় পড়তে হয় না ‌।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাা ডাঃ মোঃ মোদাচ্ছের হোসেন বলেন সঠিক নিয়মে মুরগি পালন করলে অবশ্যই লাভবান হবে। আমরা যুবকদের প্রশিক্ষণ নিয়ে পোল্ট্রি ফার্ম করার জন্য পরামর্শ দিচ্ছি। এতে করে অর্থ ও সময় দুটোই সাশ্রয় হবে।

Comments are closed.

%d bloggers like this: