করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট এলে পরিস্থিতি আরো খারাপের আশঙ্কা বিশ্লেষকদের

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক তথ্য-উপাত্ত মূল্যায়ন করে বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশে এলে পরিস্থিতি আরো অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

12

সূত্র : বিবিসি :বাংলাদেশ বৈশ্বিক তথ্যউপাত্ত মূল্যায়ন করে বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশে এলে পরিস্থিতি আরো অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

করোনাভাইরাস সম্পর্কিত বাংলাদেশ বৈশ্বিক তথ্য উপাত্ত, জাতীয় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পদক্ষেপ, ভাইরাস বিস্তারের ধরনএমন বিভিন্ন কিছু বিশ্লেষণ করে বিশ্লেষকদের দলটি যে সম্ভাব্য চিত্র তৈরি করেছে তাতে একথা বলা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের শিক্ষক . শাফিউন নাহিন শিমুল বিশ্লেষক দলটির প্রধান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের বিশাল সীমান্ত ভারতের সাথে। তাই আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ যতই বন্ধ থাকুক তাতে সেখানকার ভাইরাস আসবে না এই নিশ্চয়তা নেই। ভারতে এর ব্যাপকভাবে বিস্তার হচ্ছে এবং সেখানে ভাইরাসের ডাবল ভ্যারিয়েন্টের কথা বলা হচ্ছে।

অন্য দিকে আমরা আগে ধারণা দিয়েছিলাম যে সেকেন্ড ওয়েভের চূড়া বা পিক আসবে মে মাসের শেষে বা জুনের দিকে। কিন্তু চলতি মাসের শুরু থেকেই স্বল্প মাত্রায় লকডাউনসহ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এখন আমাদের মডেল বলছে যে জুলাইতে আসতে পারে সেকেন্ড ওয়েভের পিক বা চূড়া। তবে স্বাস্থ্যবিধি সবাই ঠিক মতো মানলে সেটি তেমন খারাপ নাও হতে পারে।

. আবু জামিল ফয়সাল বলেন, পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা করতে গিয়ে তারা দেখেছেন করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় এক দিকে সরকারি কাজে প্রচণ্ড সমন্বয়হীনতার কাজ করছে। অন্য দিকে জনপ্রতিনিধিরা কার্যত কোনো ভূমিকাই পালন করছেন না। সমন্বয়ের খুব অভাব দেখা যাচ্ছে। ধরুন করোনার যত নির্দেশনা এগুলো বাস্তবায়নে ১০টি মন্ত্রণালয় কাজ করার কথা। কিন্তু সেটি হচ্ছে না। আবার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান বা নির্দেশনাসহ যেসব কাজে জনপ্রতিনিধিদের থাকার কথা ছিলো সেটিও দৃশ্যমান হয়নি। লকডাউন বাস্তবায়নে তাদের ভূমিকা কোথায়?’

তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণ চেইন ভাঙার জন্য দরকার সমন্বিত কার্যকর পদক্ষেপ। একই সাথে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে হবে শতভাগ।

Comments are closed.

%d bloggers like this: