করোনা নিয়ে ‘গুরুতর ঘটনা’ ঘটে গেছে : কিম জং উন

8

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন সেদেশে কোভিড-১৯ জনিত এক ‘গুরুতর সঙ্কটের’ কথা উল্লেখ করে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে এজন্য শাস্তি দিয়েছেন।

উত্তর কোরিয়ার কর্তৃপক্ষ করোনাভাইরাস মহামারীর শুরু থেকেই বলে আসছে যে সেদেশে কেউ এতে সংক্রমিত হয়নি।

কর্তৃপক্ষ এই ভাইরাসের সেদেশে ঢোকা রোধ করতে সীমান্তও বন্ধ করে দিয়েছে, যদিও সীমান্ত বন্ধ রাখা এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা- এ দুই কারণে দেশটিতে খাদ্যাভাব ও অর্থনৈতিক সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

গত সপ্তাহেই উত্তর কোরিয়ার কর্তৃপক্ষ বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থাকে বলেছে যে আড়াই কোটি জনসংখ্যার এই দেশটিতে তারা এখন পর্যন্ত একটিও নিশ্চিত করোনাভাইরাস কেস পায়নি, যদিও এই দাবির ব্যাপারে পর্যবেক্ষকরা বরাবরই সন্দেহ প্রকাশ করে আসছেন।

তবে কিম জং উন একটি অনুষ্ঠানে যেভাবে তার ভাষণে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত একটি ‘গুরুতর ঘটনার’ কথা উল্লেখ করেছেন তা হয়তো ইঙ্গিত দিতে পারে যে এখন দেশটিতে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি আছে।

পার্টির নেতাদের এক বিশেষ বৈঠকে উর্ধতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কাজে অবহেলার অভিযোগ আনেন কিম জং উন।

তিনি বলেন, ‘এ কারণে এক গুরুতর ঘটনা ঘটেছে, যা জনগণ এবং দেশের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এক গুরুতর ঝুঁকির সৃষ্টি হয়েছে।’

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সোল থেকে বিশ্লেষকরা বলছেন, দু’জন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা এবং বিজ্ঞান ও শিক্ষা দফতরের প্রধানকে সম্ভবত তাদের পদ থেকে নিচে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় টিভিতে ওই বৈঠকের সময় তাদেরকে অন্যদের সাথে ভোট দিতে দেখা যায়নি।

বিজ্ঞান বিভাগের পরিচালক ওই অনুষ্ঠানটি চলার সময়ই তার আসন ত্যাগ করেন।

টিভির রিপোর্টে সেই কথিত ‘গুরুতর ঘটনা’ সম্পর্কে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি, অপসারিত কর্মকর্তাদের নামও জানানো হয়নি।
সূত্র : বিবিসি

 

Comments are closed.

%d bloggers like this: