গজারিয়ায় পাকা রাস্তায় ভেঙে গর্ত ও জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে টেঙ্গারচর ইউনিয়নবাসী

গজারিয়ায় পাকা রাস্তায় ভেঙে গর্ত ও জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে টেঙ্গারচর ইউনিয়নবাসী

9
তুষার আহাম্মেদ- মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় টেঙ্গারচর  ইউনিয়নে টেংগারচর
গ্রামের হযরত খাজা মঈনউদ্দীন চিস্তী আজমেরীর খানকা থেকে টেংগারচর গ্রামের কেন্দ্রীয় বড় মসজিদ সংলগ্ন পাকা রাস্তা ভেঙে গর্ত ও জলাবদ্ধতা দুর্ভোগের শিকার সিএনজি-অটোরিকশা সহ ছোট পরিবহন চালক, চলাচলকারি যাত্রী ও এলাকাবাসী।
আজ ১৭ আগষ্ট   রোজ মঙ্গলবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,খেলার মাঠের দক্ষিণ পাশের রাস্তা টি শুরু করে বড় মসজিদ প্রাঙ্গন হয়ে ফকির বাড়ি তিনরাস্তার মোড় পর্যন্ত একাধিক স্থানে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতায় পাকা সড়কে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে চলাচলকারি যাত্রী , পরিবহন চালক ও এলাকাবাসী। এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করে টেংগারচর ইউনিয়নের টেংগারচর গ্রামের বাসিন্দারা।
এ রাস্তায় সিএনজি ,অটোরিক্সা ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন চলাচল করে না। বর্ষায় রাস্তার গর্তে পানি জমে গেলে এসব যানবাহনও চলাচল করতে পারে না। দ্রুত রাস্তাটি খানা খন্দ মেরামত করণের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

টেংগারচর  গ্রামের ১নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার আবদুল গাফ্ফার এর বাড়ি সংলগ্ন পাকা রাস্তায় জলাবদ্ধতার মাঝেই আসা-যাওয়া করছে, সিএনজি ,অটোরিক্সা সহ বিভিন্ন ধরনের ছোট পরিবহন।টেংগারচর খেলার  হতে হার্ব ল্যাবরোটরি স্কুল এবং বড় মসজিদ হয়ে ফকির বাড়ি তিন রাস্তার মোড়  পর্যন্ত যেতে রাস্তায় একাধিক স্থানে ছোট বড় গর্ত থাকায় যান চলাচলে খুব সমস্যা হয়, এছাড়াও সামান্য বৃষ্টিতেই জলাশয়ের সৃষ্টি হচ্ছে যার কিনা স্থায়িত্ব ১০/১২দিন পর্যন্ত। দূভোগে পড়েছে সিএনজি চালক, অটোরিকশা চালক এবং ছোট পরিবহনে চলাচলকারি নারী-পুরুষ যাত্রী। খানাখন্দ ভরপুর পাকা রাস্তায় জলাবদ্ধতার কারণে উক্ত রাস্তা দিয়ে নামাজ পড়িতে যাওয়া  যাত্রীদের পরিধেয় পোষাক নষ্ট হচ্ছে প্রতিনিয়তই ।সব সময় অটোরিকশার  ঘটছে দুর্ঘটনা। প্রতিনিয়ত ক্ষতির শিকার হচ্ছি অটো মিশুক চালকরা  । রাস্তায় জলাবদ্ধ বৃষ্টির পানিতে গাড়ি নষ্ট হচ্ছে দ্রুত সময়ে। অটোরিকশার চালকসহ এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত সময়ে রাস্তার এই খানা-খন্দকে ভাঙ্গা রাস্তা মেরামত  এবং অতি দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য  ড্রেনের প্রত্যাশা।
সিএনজি চালক ফারুক   বলেন, রাস্তার এ বেহাল দশার কারণে এখন অনেকেই এ পথে চলাচলের সময়ে আতংকের মধ্যে রয়েছি । এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থেকে ৩বছরের বিতর কোনো উদ্যোগ গ্রহন করিতে না দেখে সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এছাড়াও রাস্তাটি দিয়ে টেংগারচর বাজারে,হার্ব ল্যাবরোটরি স্কুলে,রাবেয়া প্রি কেডেট  কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও   মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থী যাতয়াত করে। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটিতে জলাবদ্ধ বৃষ্টির পানি থাকার কারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে যেতে পারে না শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘ সময় পার হলেও গ্রামীণ এই অবহেলিত মরণফাঁদ রাস্তায় এরকমই রয়েগেছে।

মোটরসাইকেল চালক মানিক বলেন সড়ক দিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে দিনের বেলায় কোনরকম  চলাচল করলেও রাতে বেলা সম্ভব না।
ইউপি চেয়ারম্যান এস এম সালাউদিন মাস্টার  জানান এলাকার গণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে একাধিকবার উপজেলা আইন শৃংখলা সভা এবং উন্নয়ন সভায় রাস্তা সংস্কার চাহিদা দেওয়া হয়েছে। মেরামত বরাদ্দ না থাকায় সংস্কার হচ্ছে না।তবে আজ থেকে প্রায় ৪ মাস আগে ড্রেনের টেন্ডার পাশ হয়।কিন্তু রাকিব নামে এক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এ কাজটি করিতেছিলো।কাজের মাত্র ১০% শেষ হতে না হতে  আজ থেকে ২ মাস যাবদ তার  কাজের কোনো হুদিস নেই।
তবে  স্থানীয় এক সংবাদকর্মী জানান, উক্ত রাস্তা বিষয়ে জানতে পরে গণমানুষের কথা চিন্তা করে উক্ত  বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে তাকে জানান,ড্রেনের কাজ এসেছে, তবে দশ দিনের বিতর কাজ শুরু না হলে ব্যক্তি উদ্যোগে আমি নিয়ে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানের বাড়ি হতে বড় মসজিদ প্রাঙ্গন পর্যন্ত  খানা খন্দ মেরামত করে পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন করে দেবো।আজ প্রায় কয়েক মাস চলে যাচ্ছে কিছু চেয়ারম্যান সাহেবের পানিনিষ্কাশন এবং মেরামত গণমাধ্যম কর্মীকে সান্ত্বনা প্রয়োজনতই সীমা বদ্ধ।

Comments are closed.

%d bloggers like this: