গজারিয়ায় পাকা রাস্তা ভেঙে গর্ত ও জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে এলাকাবাসী °দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের দাবি এলাকাবাসী।

গজারিয়ায় পাকা রাস্তা ভেঙে গর্ত ও জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে এলাকাবাসী °দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের দাবি এলাকাবাসী। গজারিয়ায় পাকা রাস্তা ভেঙে গর্ত ও জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে এলাকাবাসী °দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের দাবি এলাকাবাসী।

3
তুষার আহাম্মেদ- গজারিয়া উপজেলার টেঙ্গারচর ইউনিয়নে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হতে বড়ইকান্দি ভাটেরচর
গ্রাম হয়ে পাকা রাস্তা ভেঙে গর্ত ও জলাবদ্ধতা দুর্ভোগের স্বিকার  সিএনজি-অটোরিকশা সহ ছোট বড় পরিবহন চালক, চলাচলকারি যাত্রী ও এলাকাবাসী।
সোমবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,ভাটেরচর বাস স্ট্যান্ড হতে বড়ইকান্দি ভাটেরচর গ্রামের শেষ পর্যন্ত প্রায় ১ কি.মি.রাস্তার একাধিক স্থানে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতায় পাকা সড়কে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে চলাচলকারি পরিবহন চালক ও এলাকাবাসী। বর্ষায় বৃষ্টি আসলেই রাস্তার গর্তে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় ফলে ভোগান্তি পোহাতে হয় শতাধিক পরিবার সহ স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের। বড়ইকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মাসুম জানান,
ভাটেরচর স্ট্যান্ড হতে বড়ইকান্দি  গ্রাম যেতে রাস্তায় একাধিক স্থানে ছোট বড় গর্ত থাকায় যান চলাচলে খুব সমস্যা হয়, এছাড়াও সামান্য বৃষ্টিতেই জলাশয়ের সৃষ্টি হয় রাস্তায়। দূভোগে পড়েছি আমরা সিএনজি ও অটোরিকশা দিয়ে আমরা চলাচল করতে পারিনা।  খানাখন্দ এই জলাশয়ের কারণে যাত্রীদের পরিধেয় পোষাক নষ্ট হচ্ছে।কখনো অটোরিকশার  উল্টিয়ে ঘটছে দুর্ঘটনা। প্রতিনিয়ত ক্ষতির স্বিকার হচ্ছে অটো মিশুক চালকরা। রাস্তায় জলাবদ্ধ বৃষ্টির পানিতে গাড়ি নষ্ট হচ্ছে দ্রুত সময়ে। অটোরিকশার চালকসহ এলাকাবাসী দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের দাবি
জানিয়েছে।
সিএনজি চালক জসিম উদ্দিন তোতা  বলেন, রাস্তার এ বেহাল দশার কারণে এখন অনেকেই এ পথে চলাচলের সময়ে আতংকে থাকেন । এ বিষয়ে সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এছাড়াও রাস্তাটি দিয়ে ভাটেরচর বাজারে, ভাটেরচর দে এ মান্নান পাইলট  উচ্চ বিদ্যালয় ও বড়ইকান্দি  সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও  ভাটেরচর  মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থী যাতয়াত করে। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটিতে জলাবদ্ধ বৃষ্টির পানিতে থাকার কারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে যেতে পারে না শিক্ষার্থীরা।
মোটরসাইকেল চালক আকাশ বলেন সড়ক দিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে দিনের বেলায় কোনরকম  চলাচল করলেও রাতে বেলা সম্ভব না।
ইউপি চেয়ারম্যান এস এম সালাউদিন মাস্টার ,জানান এলাকার গণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে একাধিকবার উপজেলা আইন শৃংখলা সভা এবং উন্নয়ন সভায় রাস্তা সংস্কার চাহিদা দেওয়া হয়েছে। মেরামত বরাদ্দ না থাকায় সংস্কার হচ্ছে না। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে এলজিইডির গজারিয়া উপজেলার উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ইশতিয়াক আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কয়েক হাজার  মানুষ এ  রাস্তাটি ব্যবহার করেন। তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে এ অর্থবছরে রাস্তাটির নির্মাণ কাজ শুরু করা যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

Comments are closed.

%d bloggers like this: