ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে ফুফাতো বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ

0 30

ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে ফুফাতো বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ : নারায়ণগঞ্জে নানীর বাড়িতে বেড়াতে আসা ফুফাতো বোনকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে মামাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে। কোমল পানীয়তে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তা নানী ও ফুফাতো বোনকে পান করানোর পর এই ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত মামাতো ভাইয়ের নাম মো. জাহিদ (২১)।  এই ধর্ষণের ঘটনার বর্ণনা আজ সোমবার দুপুরে আদালতে দেন ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরী। নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা খাতুন সেই জবানবন্দী ২২ ধারায় রেকর্ড করেন। অভিযুক্ত জাহিদ বন্দরের নবীগঞ্জ বড়বাড়ি এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে। এ ঘটনায় সহযোগিতা করেন জাহিদের ছোট ভাই আসিফ ও তাদের খালাতো ভাই রোহান। করোনার কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় গত ১৮ সেপ্টেম্বর বন্দরের নবীগঞ্জ এলাকায় নানীর বাড়িতে বেড়াতে যায় অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই কিশোরী। গত ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় মামাতো ভাই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন।

মা-মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার দুই যুবকের স্বীকারোক্তি : হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে রাতভর মা ও মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার দুই যুবক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গতকাল সোমবার বিকালে তারা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ জবানবন্দি দেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। গ্রেফতার দুজন হলেন ওই উপজেলার জিদর গ্রামের শফিক মিয়ার ছেলে মামলার প্রধান আসামী শাকিল মিয়া ও একই গ্রামের রেজ্জাক মিয়ার ছেলে হারুন মিয়া। এর আগে রোবাবর বিকালে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে চুনারুঘাট উপজেলার রানীগাঁও ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকা গরমছড়ি ফরেস্ট মাজার সংলগ্ন একটি বাড়িতে আসে একদল যুবক। প্রথমে যুবকরা দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে মা ও মেয়েকে জিম্মি করে স্বর্ণালংকার ও গরু নিয়ে যান। তারা ডাকাতি করে চলে যাওয়ার সময় মা ও মেয়ের মুখ বেঁধে ধর্ষণ করেন। এতে অজ্ঞান হয়ে পড়েন মা ও মেয়ে। কিছুক্ষণ পর জ্ঞান ফিরলে তারা চিৎকার করেন। পরে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে ইউপি সদস্যকে জানান। চুনারুঘাট থানার ওসি (তদন্ত) চম্পক ধাম জানান, এ ঘটনায় শনিবার রাতে তিনজনের নাম উল্লেখসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগী মা। পুলিশ রবিবার সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামীসহ দুজনকে গ্রেফতার করে। অপর আসামীদেরও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভিকটিমদের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে গ্রেফতাররা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সিলেটে ৫ সন্তানের জননীকে শ্রমিক লীগ নেতার ধর্ষণ: স্বামীকে বেঁধে ছাত্রাবাসে স্ত্রীকে গণধর্ষণ ও বেড়ানোর কথা বলে বাসায় এনে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর এবার পাঁচ সন্তানের জননীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে। আগের দুই ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তরা ছিলেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। আর এবার ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে শ্রমিক লীগ নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত রবিবার রাতে পুলিশ অভিযুক্ত শ্রমিক লীগ নেতা ও তার এক সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে। গতকাল সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। পাঁচ সন্তানের জননী ধর্ষিত হওয়ার ঘটনায় গ্রেফতারকৃতরা হল- সিলেট নগরীর শামীমাবাদ আবাসিক এলাকার ৪ নম্বর রোডের ২নং বাসার দুইতলার ভাড়াটে দেলেয়ার হোসেন ও তার সহযোগী হারুন আহমদ। ধর্ষিতা নারীও ওই এলাকার। দেলোয়ার শ্রমিক লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) জ্যোর্তিময় সরকার মামলার বরাত দিয়ে জানান, গত পরশু শামীমাবাদ আবাসিক এলাকার ৪নং রোডের পাঁচ সন্তানের এক জননী ধর্ষিত হন। পরে তিনি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি হন। রোববার রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ আসলে সাথে সাথে অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত দেলোয়ার ও তার সহযোগী হারুনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  জ্যোর্তিময় সরকার জানান, মামলায় ওই নারী অভিযোগ করেন দেলোয়ার তাকে ধর্ষণ করে এবং আরও তিনজন ধর্ষণে সহযোগিতা করে।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানি ও নির্যাতন করেছে দুর্বৃত্তরা। তারা ওই ঘটনার ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। ওই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সারাদেশে তোলপাড় চলছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সন্ত্রাসী দেলোয়ার বাহিনীর প্রধানসহ চারজনকে অস্ত্র ও গুলীসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। ঢাকা থেকে রোববার রাতে মামলার প্রধান আসামী বাদলকে এবং নারায়ণগঞ্জ থেকে এরক আসামী সন্ত্রাসী দেলোয়ারকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। এর আগে পুলিশ আরও দুইজনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার হওয়া অন্য দু’জন হচ্ছে আবদুর রহিম (২২) ও আবুল কালাম। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গতকাল ছয় দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।
এদিকে নির্যাতনের ঘটনায় জেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এরই মধ্যে পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ও জেলা প্রশাসক খোরশেদ আলম খানের নেতৃত্বে আরেকটি তদন্তদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার নির্যাতিত পরিবারকে উচ্চ আদালত থেকে নিরাপত্তা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ভিডিওটি সরানোর নির্দেশ দেন আদালত। ভিডিওচিত্রে ভুক্তভোগী গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে তার মুখমণ্ডলে উপুর্যপুরি লাথি ও বেধড়ক মারধর করতে দেখা যায়। এসময় গৃহবধূ হামলাকারীদের বহুবার পায়ে ধরে এবং বাবা-বাবা বলে ডাকলেও নির্যাতন বন্ধ করা হয়নি। বরং তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানসহ সবস্থানে লাঠি দিয়ে আঘাত করে মারাত্মক আহত করে। তারা এ সময় তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়। এলাকার বাদল, কালাম ও দেলোয়ারসহ আরো কয়েকজন দুর্বৃত্ত এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসী জানান, ঘটনার পর তারা ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। ৩২ দিন পার হলেও তারা এ বিষয়ে মামলা করতে পারেনি। দুর্বৃত্তরা তাদেরকে হত্যার হুমকি দিচ্ছিল। লোকলজ্জা এবং সন্ত্রাসীদের দ্বারা আবারও নির্যাতিত হওয়ার আশঙ্কায় কারো কাছে বিষয়টি জানায়নি ভুক্তভোগী পরিবারটি।
গতকাল সোমবার দুপুর ২টায় র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল খন্দকার সাইফুল আলম প্রেস কনফারেন্সে সাংবাদিকদের জানান, রোববার রাত আড়াইটায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন চিটাগাং রোড এলাকা থেকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মো. দেলোয়ার হোসেনকে (২৬) একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও দুই রাউন্ড গুলীসহ গ্রেফতার করা হয়। পরে দেলোয়ারের দেয়া তথ্যানুযায়ী গতকাল ভোর সাড়ে ৫টায় ঢাকার কামরাঙ্গীরচরের ফাঁড়ির গলি এলাকা থেকে ঘটনার প্রধান আসামী নূর হোসেন বাদলকে (২০) গ্রেফতার করা হয়। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় আসামীরা ঘটনা ঘটানোর কয়েক দিন পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে নির্যাতিতার কাছে টাকা দাবি করে। র‌্যাব জানায়, দেলোয়ার বাহিনীর প্রধান দেলোয়ার ওই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। এছাড়া দেলোয়ার বাহিনী বেগমগঞ্জে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও নানান রকম সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত। এমনকি দেলোয়ারের বিরুদ্ধে দুটি হত্যা মামলাও রয়েছে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার সাইফুল আলম বলেন, দেলেয়ার পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল করছিল। গৃহবধূর শ্লীলতাহানি ও নির্যাতনের ঘটনায় রোববার রাতে ৯ জনকে আসামী করে বেগমগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়। এর আগে বিকেলে আসামী আবদুর রহিমকে আটক করা হয়েছিল। এরপর মামলা করা হলে রাতে আসামী রহমত উল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়। এরই মধ্যে নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে এসেছে পুলিশ। আসামীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় আছে কিনা জানতে চাইলে খন্দকার সাইফুল আলম বলেন, অন্যায়কারীদের কোনো দল নেই। তাদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় আছে কিনা তা জানার প্রয়োজনবোধ করছি না। তারপরও তাদের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পারলে আমরা জানাব। আসামীদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি।
পুলিশ জানায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেনের নজরে এলে তিনি এ বিষয়ে তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘পুলিশ নির্যাতিতাকে তার বাবার বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে। নির্যাতিতা নারী পুলিশকে জানান, ২৫/৩০ দিন আগে এ ভিডিও চিত্র ধারণ করা হয়। তবে, সঠিক তারিখ তিনি বলতে পারেননি।’  ভিডিওতে দৃশ্যমান বখাটেদের গ্রেফতারে পুলিশের পাঁচটি ইউনিট অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন। বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি হারুন অর রশিদ চৌধুরী বলেন, ‘তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আবদুর রহিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
স্থানীয়রা জানান, বেগমগঞ্জের একলাশপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বাসায় ২৫ থেকে ৩০ দিন আগে এ ঘটনা ঘটলেও রোববার গৃহবধূকে নির্যাতনের ওই ভিডিও ফেসবুকে ছেড়ে দিলে ভাইরাল হয়। প্রায় দেড় থেকে দুই মাস আগে এলাকার একদল বখাটে ওই গৃহবধূকে কুপ্রস্তাব দেয় এবং শারীরিক সম্পর্কের চেষ্টা করে। এভাবে তারা আরো কয়েকবার তাকে কুপ্রস্তাব দেয় বলে গৃহবধূ জানান। পরে বখাটেরা শারীরিক সম্পর্ক করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে কোনো এক সময়ে তাকে বেদম মারধর করে ভিডিও ধারণ করে। এভাবে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও তারা গৃহবধূকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে আবারো শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করে।  ব্যর্থ হয়ে অবশেষে তারা ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। ওই গৃহবধূর সঙ্গে তার স্বামীর দীর্ঘদিন বনিবনা ছিল না। তবে সম্প্রতি স্বামী তার কাছে ফিরে আসেন। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। ঘটনার সময় ওই নারীর স্বামীকে ধাক্কা দিয়ে ঘর থেকে বের করে দেয় বলে অভিযোগ করেন গৃহবধূ।
এদিকে নোয়াখালীতে গ্রেফতার দুই আসামী রহিম ও রহমত উল্যাহকে গতকাল আদালতে হাজির করা হয়েছে। বেগমগঞ্জ আমলী আদালতের বিচারক মাশফিকুল হকের আদালতে তাদের হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। বিচারক শুনানি শেষে বিকাল ৫টায় আদেশ দেবেন বলে জানিয়েছেন। তবে আদালতে আসামীদের পক্ষে কোনও আইনজীবী ছিলেন না। সরকারি রেজিস্টার অফিসার (জিআরও) সহকারী উপ-পরিদর্শক সোহেল রানা বলেন, রহিম ও রহমত উল্যাহকে ৩ নং বেগমগঞ্জ আমলী আদালতে হাজির করা হলে বিচারক রিমান্ড আবেদনের শুনানি করে আদেশের অপেক্ষায় রাখেন।
মঠবাড়িয়ায় নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের অভিযোগ : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এক নারীকে (৪৫) বিবস্ত্র করে গলা টিপে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নির্যাতিতা বাদি হয়ে সোমবার তিন জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো তিনজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় উপজেলার পূর্ব পাতাকাটা গ্রামের বাপ্পি (২৬), তার বাবা মজিবর ওরফে চাঁন মিয়া হাওলাদার (৫৮) ও মাতা সেতারা বেগমকে (৪৫) আসামী করা হয়েছে। মামলা ও আহত সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী চাঁন মিয়ার সাথে ওই নারীর দীর্ঘ দিনের পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিলো। সোমবার বিকেলে ওই নারীর একটি গরু চাঁন মিয়ার জমির ধানের চারা খেয়ে নস্ট করে। এ ঘটনা ও পূর্ব বিরোধের জেরে বিকেল ৫ টার দিকে চাঁন মিয়ার নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওই নারীর বাড়ি প্রবেশের রাস্তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাকে বিবস্ত্র ও নির্যাতন করে সাথে থাকা স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিয়ে গলা টিপে হত্যার চেষ্টা চালায়। তার আত্ম-চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। মঠবাড়িয়া থানার ওসি মাসুদুজ্জামান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।সংগ্রাম

Leave A Reply

Your email address will not be published.

%d bloggers like this: