জাতীয় শিশু কিশোর ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী

67

কাজী বিপ্লব হাসান: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী আজ। বাংলাদেশের স্বধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে এবার উদযাপিত হবে এ দিনটি। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থাপতি । বাঙালি জাতির আরো এগযি়ে যতেে হবে এই নেতা ১৯২০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করে। আজ এই দিনটি জাতীয় শিশু কিশোর দিবস। হিসাবেও উদযাপিত হবে। জাতীয় অনলাইন প্রেসক্লাব মুন্সীগঞ্জ জেলা নানান আয়োজনের মাধ্যমে উৎযাপন করেন এবং বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আজ দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা একটি উন্নয়নশীল দেশে পা রেখেছি, আমরা এখানেই থামব না, বাংলাদেশকে আরো এগিয়ে যেতে হবে, এখন আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ করা। শেখ হাসিনা  সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং সব নীতিমালা প্রণয়ন করছে। ভবিষ্যতে যারা ক্ষমতায় আসবেন তারা নীতি অনুসরণ করবে এবং উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবেন, আমরা সেটাই চাই। শিশুদের অধিকার রক্ষার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে শিশু আইন কার্যকর করেছেন। তার সরকার ২০১১ সালে জাতীয় শিশু নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। শিশুদের অধিকার রক্ষার জন্য সরকারও ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং শিশুরা যাতে শিক্ষা, খেলাধুলা, শারীরিক ও সাংস্কৃতিক অনুশীলনের সুযোগ পেতে পারে সে জন্যও বিশেষ নজর দিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা ছিলো। তিনি সবসময় এদেশের মানুষের কথা চিন্তা করেছেন। বঙ্গবন্ধু ছোটবেলা থেকে নিজের কাপড়, নিজেদের গোলার ধান মানুষকে বিলিয়ে দিয়েছেন।আর ঠিক নয় দিন বাদেই ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ দুই বিশেষ উপলক্ষ ঘিরে বুধবার শুরু হচ্ছে জাতীয় পর্যায়ে দশ দিনের অনুষ্ঠানমালা, যা শেষ হবে ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির দিনে।

Comments are closed.

%d bloggers like this: