জোরপূর্বক স্পর্শ জায়গায় জাপটে ধরে ভিডিও,দাবীকৃত টাকা না দিলে ভিডিও ভাইরাল করার হুমকি

জোরপূর্বক স্পর্শ জায়গায় জাপটে ধরে ভিডিও,দাবীকৃত টাকা না দিলে ভিডিও ভাইরাল করার হুমকি

15

তুষার আহাম্মেদ- মেয়েকে জোরপূর্বক ঝাপড়ে ধরে ভিডিও করে ভাইরাল করার কথা বলে হাতিয়ে নিয়েছে অর্ধলক্ষ টাকা। পরবর্তীতে আরো অর্ধলক্ষটাকা দাবী করে আসছে ধর্ষক রিয়াদ হোসেন (২৫)। গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের ভাষানচরের আইয়ুব আলী মিস্ত্রীর ছেলে ধর্ষক রিয়াদ হোসেন গ্রামের একটি মেয়েকে জোর পূর্বক ঝাপড়ে ধরে ভিডিও তৈরী করে। সেই ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার কথা বলে ইতিমধ্যে হাতিয়ে নিয়েছে ৫০হাজার টাকা। মেয়ের বাবাকে বার বার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে আরো ৫০ হাজার টাকা না দিলে ভিডিও ভাইরাল করে দিবে। বিষয়টি ধর্ষক রিয়াদের বাবা মাকে জানানোর পরেও কোন পদক্ষেপ নেয়নি। উপায় অন্তর না পেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি কিন্তু সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এখন পর্যন্ত পুলিশ তদন্ত করতে যায়নি।

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ধর্ষণের ভিডিও ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে মেয়ের সংসার ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে ধর্ষক রিয়াদ।

ভূক্তভোগী মেয়ের বাবা বুধবার (২৫ আগস্ট) জানান, তিন মাস পূর্বে মেয়েকে আটকিয়ে জোর পূর্বক ঝাপড়ে ধরে ভিডিও করে। সেই ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার কথা বলে ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা হাতিয়ে নেয়। এর পরে আবার ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার কথা আরো ৫০ হাজার টাকা দাবী করে আসছে। মোবাইলের ম্যাসেঞ্জারে বার বার টাকা চেয়ে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে ধর্ষক রিয়াদ হোসেন (২৫)। ধর্ষক রিয়াদ হোসেন ভাষারচরের আইয়ুব আলী মিস্ত্রীর ছেলে। এই ভিডিও আমার মেয়ের জামাই, শ্যালকসহ বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনের হোয়াট্স এ্যাপে পাঠিয়ে আরো ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা দাবী করছে। টাকা না দিলে ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ারও হুমকি দিচ্ছে।

রিয়াদের বাবা ও মাকে বিষয়টি জানানোর পরেও তারা উল্টো বলছে আমার ছেলে এমন খারাপ না। তারা বিষয়টি আমালে নিচ্ছে না। ছেলে নিজেই টাকা চায়। ছেলের হাত পা ধরেও ভিডিও ডিলিট করতে বলেছি কিন্তু ভিডিও ডিলিট তো করেই নাই উল্টো এখন ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।

সোমবার থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করেছি। তবে পুলিশ এখন পর্যন্ত ঘটনাস্থলে যায়নি।

ধর্ষক রিয়াদের হুমকির কিছু ধরণ ফেইসবুক ম্যাজেঞ্জার থেকে নেয়া। রাফসান নামের একটি ফেইসবুক আইডিতে রিয়াদ লিখেছে বা¹ো বালো তুদের। রাফসান লিখেছে কি রকম ভাই। রিয়াদ লিখেছে মাতরো ৫০০০ টাকা চাইছি। রাফসান লিখেছে হুম। পরবর্তীতে রিয়াদ লিখেছে জেয় জিনিস আমার কাছে আছে ৫০০০০ চাইলে দিতে বাদ্দো হতি। জদি একবার বাইরাল করি, লাক টাকা দিয়াও সম্মান পাবি না। মেয়ে বিশ খাইয়া মরতে পারে, জদি জানতে পারে গুপন জিনিস বাইরাল। সামি তো তালাক দিবে সেকেন্টে। রাফসান লিখেছে হুম জানি ভাই।

এ বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: রইছ উদ্দিন জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Comments are closed.

%d bloggers like this: