টঙ্গিবাড়ীতে খুড়ে রাখা সড়কে দূর্ভোগ চরমে

টঙ্গিবাড়ীতে খুড়ে রাখা সড়কে দূর্ভোগ চরমে

3
তুষার আহাম্মেদ- আবদুল্লাহ (৭)। একটি মাদ্রাসার দ্বীতিয় শ্রেণীর ছাত্র। কয়েক মাস আগেও গাড়িতে চরে মাদ্রাসায় প্রাইভেট পরতে যাতায়ত করতো সে। কিন্তু দির্ঘদিন যাবৎ রাস্তাটি খুড়ে রাখায় এখোন পা টিপে হেটে রাস্তাটি পার হতে হয় তাকে। তার উপরে গলায় রয়েছে ভাড়ি ব্যাগের বোঝা। রাস্তাটি খুড়ে দু-পাশে মাটি উচুঁ করে রাখা হয়েছে মধ্যে বালু ফেলানোর জন্য। খুড়ে রাখা রাস্তার মধ্যে হাটু পর্যন্ত কাদা তাই রাস্তার দু-পাশে ফেলানো মাটি দিয়ে পা টিপে খালি পায়ে হেটে চলছে সে। মঙ্গলবার বিকালে ওই রাস্তা দিয়ে মেয়েকে নিয়ে হেটে যাচ্ছিলো এক মা। রাস্তার দু-পাশে ফেলানো মাটি দিয়েই হেটে যাচ্ছিলো তারা । হঠাৎ করে পাঁ ফচকে পরতেই মধ্য বয়সি মা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছিলো । এ চিত্র টঙ্গিবাড়ী উপজেলার চাঠাতিপাড়া গ্রামের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটির।
 টঙ্গিবাড়ী উপজেলার চাঠাতি পাড়া গ্রামের নির্মাণাধীন ১ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে অর্ধেকাংশ খুড়ে বালি দিয়ে ভরাট করে রাখা হলেও বাকি অর্ধেকাংশের কোথায়ও কিছু কিছু বালু ফেললেও স্থানে স্থানে ফেলা হয়নি বালু। কিন্তু রাস্তার দু-পাশে বালু ফেলানোর জন্য বাধঁ নির্মাণ করে রাখায় পানি জমে ওই সমস্ত স্থানে এক হাটু পানি জমেছে।
এতে বিপাকে পরেছে ওই এলাকার জনগণ।
উপজেলার চাঠাতি পাড়া গ্রাম হতে বের হওয়ার একমাত্র রাস্তাটি দিয়ে যানবাহনতো দূরের কথা পায়ে হেটে বের হওয়া কষ্টকর হয়ে দাড়িয়েছে। এ রাস্তাটি দিয়ে উপজেলার চাঠাতিপাড়া গ্রাম ছাড়াও পাচঁগাও, ঝিনাইসার, লৌহজং উপজেলার বাইনকাইচ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ চলাফেরা করে থাকে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় উপজেলার সাতুল্লা হতে চাঠাতি পাড়া গ্রাম পর্যন্ত এই রাস্তাটির ১ কিলোমিটার কার্পেটিংয়ের কাজ করছে এলজিইডি। বিগত প্রায় ৫ মাস যাবৎ কাজ শুরু হলেও ২ মাস কাজ করার পর কাজ বন্ধ করে রেখেছে ঠিকাদার। গত ১৫ দিন আগে ৩-৪ দিন কাজ করলেও এখোন সম্পূর্ণ কাজ বন্ধ করে রাখা হয়েছে। ঠিকাদারের এ রকম কাজকর্মে বিস্ময় প্রকাশ করছে ও রাস্তায় যাতায়াতাকারীরা।
এ দিকে এলাকাবাসী জানান তারা ঠিকাদারের মোবাইলে ফোন করলে সে বলে আমার রাস্তার কাজ শেষ করতে আরো ৬ মাসের সময় আছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করবো। এলাকাবাসী আরো জানায় বৃষ্টি নামলে গাড়িতো দূরের কথা পায়ে হেটে যেতেও ওই রাস্তা দিয়ে কষ্ট হয় আমাদের।
এ ব্যাপারে টঙ্গিবাড়ী উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, ঠিকাদার বলছে পুরো রাস্তায় বালু ফেলাছে। খোজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Comments are closed.

%d bloggers like this: