টঙ্গিবাড়ীতে সরকারী কাজ দেওয়ার কথা বলে ব্যাংকে হিসাব খুলিয়ে টাকা তুলে নিলেন ২ ইউপি সদস্য

টঙ্গিবাড়ীতে সরকারী কাজ দেওয়ার কথা বলে ব্যাংকে হিসাব খুলিয়ে টাকা তুলে নিলেন ২ ইউপি সদস্য

6

টঙ্গিবাড়ীতে সরকারী কাজ দেওয়ার কথা বলে ব্যাংকে হিসাব খুলিয়ে টাকা তুলে নিলেন ২ ইউপি সদস্য

তুষার আহাম্মেদ- মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে সরকারী কাজ দেওয়ার কথা বলে উপজেলার আউটশাহী ইউনিয়নের কতিপয় যুবকদের দিয়ে ব্যাংক একাউন্ট খুলে সেই একাউন্টের টাকা আতœসাৎতের অভিযোগ উঠেছে আউটশাহী ইউনিয়নের দুই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী আউটশাহী ও বলই গ্রামের ৩ যুবক ইসমাঈল সেখ(৩০), আল-আমিন ঢালী(৩২) ও করিম মোল্লা (৩০) আজ  বুধবার (৩০ জুন) বিকালে টঙ্গিবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভূক্তভোগী যুবকরা জানান,বিগত প্রায় ৩ বছর আগে আউটশাহী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড মেম্বার শিপন সেখ আমাদের ৫ জনকে বলে তোদের সরকারী কাজ দিবো এর জন্য ব্যাংকে একাউন্ট করতে হবে। আমরা তার কথায় ছবি ও ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে গিয়ে টঙ্গিবাড়ী উপজেলার সুবচনী বাজারের জনতা ব্যাংকের শাখায় একাউন্ট খুলি। একাউন্ট খোলার সময় সে আমাদের দিয়ে স্বাক্ষর করিয়ে চেক বই নিজের কাছে রেখে দেয়।

পরে গত ২০ জুন আমাদের মোবাইলে ম্যাসেজ আসে আমাদের একাউন্টে ৩৮০০ করে টাকা আসছে। পরে গত ২৭জুন তারিখে আমরা টাকার খোজঁ নিতে গেলে ব্যাংকের লোকজন আমাদের বলে আমাদের টাকা তুলে নিয়ে গেছে। আমরা এ সময় কে তুলছে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলে মেম্বারে তুলে নিয়ে গেছে। পরে আমরা এলাকায় এসে আমাদের মেম্বার শিপন সেখকে জিজ্ঞাসা করিলে সে বলে জব্বার মেম্বারের সাথে যোগাযোগ করতে। জব্বার মেম্বারের সাথে যোগাযোগ করলে সে বলে সে টাকা তুলে আনছে। এ সময় আমাদের একাউন্টের টাকা তুলে নেওয়ার কারন জিজ্ঞাসা করলে সে বলে অন্য লোক দিয়ে কাজ করাইছি ওই টাকা তুলে তাদের দিয়ে দিয়েছি।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী যুবকরা আরো জানায়, আমাদের দিয়ে কাজ না করিয়ে আমাদের নামের টাকা তুলে নিয়েছে মেম্বার। এখোন জব্বার মেম্বার আমাদের একাউন্ট বই আটকে রেখেছে আমাদের দিচ্ছেনা। শিপন মেম্বার আমাদের হুমকি ধামকি দিচ্ছে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিপন সেখ বলেন, আমি হত দরিদ্র পোজেক্টের জন্য আমার এলাকার ৫ জনকে দিয়ে হিসাব খুলাইছিলাম। ওদের টাকা কে তুলে নিছে ব্যাংকে যোগযোগ করলে ভালো বলতে পারবে। স্বাক্ষর নিয়ে চেক বই নিজের কাছে রেখে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সে বলে এ ব্যাপারে জব্বার মেম্বার ভালো বলতে পারবে।
এ ব্যাপারে জব্বার মেম্বার এর সাথে যোগাযোগ করলে সে বালে, সরকারী রাস্তার কাছ করানোর জন্য ওদের নামে একাউন্ট খোলা হয়েছিলো। পরে চাষিরী বটতলা হতে ভোরন্ডা পর্যন্ত রাস্তার কাজ আসলে অন্য লেবার দিয়ে কাজ করিয়েছি। যাদের দিয়ে কাজ করিয়েছি টাকাও তাদের দিয়ে দিয়েছি।
এ ব্যাপারে টঙ্গিবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীন এর মোবাইলে যোগাযোগ করলেও সে ফোন রিসিভ করে নাই।

Comments are closed.

%d bloggers like this: