প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

120

নজরুল হাসান ছোটন: গতকাল ৭ই সেপ্টেম্বর দৈনিক রজতরেখা পত্রিকায় এবং অনলাইন টেলিভিশনে “কলেজ প্রভাষকের বিরুদ্ধে শিক্ষা অধিদপ্তরের স্ত্রীর অভিযোগ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রচারিত হয়। অভিযোগ দায়ের করেন তার স্ত্রী মাহমুদা আক্তার। তার স্ত্রী মাহমুদা বেগম অভিযোগ করেন, তাকে মারধর করায় গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে গেছে। এ প্রশঙ্গে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার বরহামগঞ্জ কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাজমুল হাসান বলেন, আমার সন্তান স্বাভাবিক নিয়মে আমার স্ত্রীর অতিরিক্ত বিøডিং হওয়ায় নষ্ট হয়ে গেছে। আমার স্ত্রী আমার বিরুদ্ধে যৌতুকের কথা বলেছে। অথচ তার বাবা একটি সামান্য কর্মচারী। আমি একজন সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক। ঐ লোকের কাছে আমি কিভাবে যৌতুক চাই? বরং তার বাবা সময়-অসময়ে আমার কাছ থেকে টাকা ধার চেয়ে নিয়েছে। সে টাকা আমি ফেরত চাইতে গেলে সে বলে মেয়েকে দিয়ে তোর নামে নারী নির্যাতন মামলা দিব। তিনি আরও জানান, গত ১৮ জুলাই আমি স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়েছি। আর বলা হয়েছে ২৫ জুলাই আমিও আমার ভাই বোন মিলে তাকে যৌতুকের জন্য তার বাড়িতে গিয়ে মারধর করেছি। যাকে ডিভোর্স দেওয়া হয়েছে তার বাড়িতে আমিও আমার ভাই বোন কি যেতে পারি ? এটাই হলো মিথ্যার বড় প্রমাণ। তাছাড়া ২৫ জুলাই আমি শিবচর কলেজে কর্মরত ছিলাম। আমার কলেজের অধ্যক্ষের প্রত্যয়নপত্র রয়েছে। এমন কি আমার সঙ্গে আমার ভাই বোনের নামেও মামলা করেছে। তারাও চাকরিজীবি। তাছাড়া সেই দিন সবাই নিজ নিজ কর্ম প্রতিষ্ঠানে থেকে কাজ করেছেন। তারও যথেষ্ট প্রমান রয়েছে। আমার স্ত্রীর মিথ্যা বলার আরও প্রমাণ, সে মামলায় উল্লেখ করেছে আমাদের পরিবারের ৩ ভাই ২ বোন তাদের বাড়িতে গিয়ে তাকে মারধর করেছে। বলা হয়েছে, তাদের পরিবারের আত্মীয় স্বজন ১২ জন স্বাক্ষী আছে। কথা হলো, ৫ জন লোক একজনকে মারলো আর ১২ জন লোক শুধু চেয়ে দেখল? তারা বাধা দিল না? তারা কি সিনেমার সুটিং দেখছিল? এতে আরও প্রমাণিত হয়, তারা কেমন মিথ্যা বানায়োট কথা বলে মামলাটি সাজিয়েছে।

এরপর আমি বলতে চাই, আমি একজন কলেজ শিক্ষক, শান্তি প্রিয় মানুষ। কিন্তু এই মহিলা আমাকে মানসিক ভাবে টর্চার করেছে। তাকে চাকরি করতে দেইনি বলে তাকে মাসে ১০,০০০ টাকা হাত খরচ দিতে হয়েছে। আমার পরিবারে বিভিন্ন কাজে কর্মে টাকা পাঠাতাম, সেটা পর্যন্ত সে বন্ধ করে দিয়েছে আমার উপর চাপ দিয়ে। আর সে কথায় কথায় আত্মহত্যার কথা বলে বø্যাকমেল করতো যাতে বাড়িতে টাকা না পাঠাই। নাজমুল হাসানের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার প্রতি মাসে স¦ামীর কাছ থেকে ১০,০০০ টাকা এবং তার আগের সন্তানের ভরন পোষনের জন্যও টাকা নিতেন। এই প্রসঙ্গে তাকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি প্রশ্ন এরিয়ে যান এবং অন্য প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাদের স্বামী স্ত্রীর মিলনের ব্যাপারে টংগিবাড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি বাচ্চু মাঝি বলেন, আমি নাজমুল হাসান ও মাহমুদা আক্তার দুজনকে একত্রে সভা ডেকে মিলিয়ে দেওয়ার অনেক চেষ্টা করেছি। কিন্তু সেখানে মেয়ের বাবাই বলেছে যে, তার মেয়েকে আর এই লোকের সঙ্গে সংসার করবে না। এর পর আমার বলার কিছুই থাকে না। এছাড়াও এলাকার গন্য মান্য ব্যক্তিরাও মিলানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু মেয়ে পক্ষথেকেই আর সংসার করতে রাজি হয় না।
৮ই সেপ্টেম্বর , তিনটি পত্রিকায় “কলেজ প্রভাষকের বিরুদ্ধে শিক্ষা অধিদপ্তরের স্ত্রীর অভিযোগ” এই সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে “প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ” প্রকাশিত হয়।

Comments are closed.

%d bloggers like this: