নিট কনাসার্ট এর মালিক দাবিকারী হেলেনা জাহাঙ্গীর এর প্রতি তীব্র প্রতিবাদ মুন্সিগঞ্জবাসীর”

নিট কনাসার্ট এর মালিক দাবিকারী হেলেনা জাহাঙ্গীর এর প্রতি তীব্র প্রতিবাদ মুন্সিগঞ্জবাসীর”

27

কাজী বিপ্লব হাসান: নিট কনসার্ট এর প্রকৃত মালিক আনোয়ার হোসেন মোল্লা। বর্তমানে তার ছেলে জয়নাল আবেদিন মোল্লা এর মালিক। এই কোম্পানির ডিরেক্টর জয়নাল আবেদিন মোল্লা, মনির হোসেন মোল্লা এবং সামসুন নাহার। কোম্পানির এম ডি পদে আছেন জাহাঙ্গীর হোসেন মোল্লা। তাদের কোম্পানিতে ১৯৯৩ সালে কুমিল্লার ছেলে জাহাঙ্গীর ৯০০০ টাকা বেতনে চাকুরিতে নিযুক্ত হন। পরবর্তীতে সে পদোন্নতি পেয়ে কোম্পানীর, ই. ডি পদে নিযুক্ত হন। চাকুরিতে ঢোকার পর থেকেই ই. ডি থাকাকালীন সে নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে। এমনকি তার স্ত্রী হেলেনা ও এই অপকর্মের সহকর্মী। যার কারনে নিট কনসার্ট কতিপক্ষ জাহাঙ্গীর আলমকে চাকুরী হতে অব্যাহতি দেয়। তার স্বামীকে চাকুরী হতে অব্যাহতি দেওয়ার কারনে হেলেনা জাহাঙ্গীর নিট কনসার্ট কোম্পানীর বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লাগে। এমনকি সে তাকে নিট কনসার্ট গ্রæপের মালিক হওয়ার অপপ্রচার পর্যন্ত চালাচ্ছে। একজন কর্মচারীর স্ত্রী হয়ে কিভাবে নিজেকে সে নিট কনসার্ট এর মালিক হওয়ার দাবি করে, এটাই প্রশ্ন ? হেলেনা জাহাঙ্গীর এর স্বামী বিপথে গিয়ে টাকা ইনকাম করে। গোয়েন্দা বিভাগ থেকে এই ধরনের আরো অনেক অজানা তথ্য পাওয়া গেছে। আওয়ামীলিগ এর মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি জানান, আওয়ামীলিগের মহিলা বিষয়ক উপকমিটির পদ থেকে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কারন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে প্রচারিত সাম্প্রতিক কর্মকান্ড সংগঠনের নীতি বহির্ভূত হওয়ায় এই অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। ইদানিং হেলেনা জাহাঙ্গীর “বাংলাদেশ আওয়মী চাকুরিজীবী লীগ” নামে একটি সংগঠনের ঘোষনা দেন। দলের বড়দের না জানিয়ে সে কিভাবে একটি সংগঠন তৈরি করেন ? এই হেলেনা জাহাঙ্গীর এর সঙ্গে বি এন পি নেত্রী এবং জাতীয় পার্টির এরশাদের সঙ্গেও সখ্যতা ছিল। ফেসবুক পোষ্ট এর তার এই আলোচিত সমালোচিত ব্যক্তির সাথে ছবি তার রাজনৈতিক আর্দশ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে । একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট, নান ধরনের দুর্নীতির মৌলিক তথ্য পাওয়া গেছে। এমনকি চাকরিজীবি লীগের দলিয় সদস্য হওয়ার জন্য বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে বিপুল অংঙ্কের টাকা কামিয়েছে হেলেনা জাহাঙ্গীর। তার আওয়ামীলীগের পদ পদবীর ঘটে কুমিল্লা থেকে আত্মীয়তার সুবাদে। আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সবুর হেলেনার খালাতো ভাই। আওয়ামীলীগ এর অনেক নেতাকর্মীর সাথে ভাব জমিয়ে তিনি নিজ স্বার্থ হাসিল করে নিয়েছেন। ২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের সাথে কাজ করে তার পথ চলা শুরু। এ কাজেও তিনি সমালেচিত হয়েছেন। নিট কনসার্ট এর এম ডি জাহাঙ্গীর হোসেন মোল্লা তার স্বাক্ষাৎ কালে বলেন, হেলেনা জাহাঙ্গীর নানা ধরনের সোশাল ওয়ার্ক করে সবার সাথে পরিচিত হয়ে নিজ স্বার্থ আদায় করে। হেলেনা নিজেকে ৩টি ফেক্টরির মালিক দাবি করেন। অথচ সে তার ফ্যাক্টরি গুলোর নাম বলতে পারছে না। আমরা তার স্বামীকে কঈ প্রিন্ট নামে একটি ফ্যাক্টরির এম ডি নিযুক্ত দেই। পরবর্তীতে হেলেনা সেই ফ্যক্টরি সহ অনান্য ফ্যক্টরিও তাদের দ্বাবি করে। এভাবে হেলানা জাহাঙ্গীর ও তার স্বামী মানুষকে ঠকিয়ে চাপাবাজী করে চলেছেন। কিন্তু এভাবে আর কতকাল পথ চলা ? ধরা একদিন পড়তেই হবে। ধরা পড়েছে হেলেনা জাহাঙ্গীর ও তার স্বামীর মিথ্যা বানোয়াট কথা বানিয়ে মানুষকে বোকা বানানোর ঘটনা। একটির পর একটি ঘটনা গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বের করছে। আমরা মুন্সিগঞ্জবাসীও চাই এই হেলেনা জাহাঙ্গীর নিট এর মিথ্যা মালিক দ্বাবি করার রহস্য উদঘাটন হউক। আমরা মুন্সিগঞ্জবাসী তাকে মিথ্যা দ্বাবি করা মালিক সাজার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

Comments are closed.

%d bloggers like this: