পদ্মাসেতু বন্যপ্রাণি অভয়ারণ্য বাস্তবায়নে জেলেদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা

পদ্মাসেতু বন্যপ্রাণি অভয়ারণ্য বাস্তবায়নে জেলেদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা

0
তুষার আহাম্মেদ- মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের কুমারভোগ ইউনিয়নে শ্রীনগর ও লৌহজংয়ের মৎসজীবি ও জেলেদের পদ্মা সেতু বন্যপ্রাণি অভয়ারণ্য বাস্তবায়নে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা আওয়ামী মৎস্যজীবি লীগের সভাপতি জহির ফকিরের সভাপতিত্বে ও মৎস্যজীবীর নেতা আনন্দ বর্মনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পদ্মা সেতু বায়োডাইভার্সিটি প্রোগ্রামের টিম লিডার ড. এস এম এ রশীদ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ফিসারিজ এক্সপার্ট আলম হোসাইন, প্রফেসর ফিরোজ জামান, শেখ মিজানুর রহমান ও পদ্মা সেতুর উপ-সহকারী পরিচালক (পরিবেশ) রাজু আহমেদসহ লৌহজং ও শ্রীনগরের মৎস্যজীবিরা।
পদ্মা সেতুর জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণের টিম লিডার এস এম এ রশীদ প্রধান অতিথির বক্তব্য বলেন, আপনারা জেলেরা এ দেশের বড় সম্পদ। আপনারা ভালো থাকলে দেশ ভালো থাকবে। কেননা আমরা মাছে ভাতে বাঙালি। আপনারা নিয়ম মেনে মৎস্য শিকার করলে আপনারাই লাভবান হবেন। তাছাড়া পদ্মা সেতুর জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ করলে অত্র এলাকার পরিবেশ পরিবর্তন হয়ে যাবে। এতে আপানারাা উপকৃত হবেন। যেখানে অভয়ারণ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হবে সেখানে আপনারা মাছ শিকার করতে যাবেন না এতে করে মাছ প্রচুর পরিমানে বৃদ্ধি পাবে যার সুফল পাবেন আপনারা। এছাড়াও মৎস্য অভিযান চলাকালীন জেলেদের কর্মক্ষেত্র বন্ধ হয়ে গেলে, তারা কি কাজ করে দিনাতিপাত করতে চায় সে বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়। মূল কথা হচ্ছে পদ্মা সেতু জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ কিবাবে করা যায় সে বিষয়ে সচেতনতা সভাটি হয় এবং উক্ত সভায় সবার বক্তব্য জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সম্বন্ধেই দেন। এবং ইলিশ আহরণের সাইজ হচ্ছে ৬.৫ সেন্টিমিটার (২.৬ইঞ্চি)। সভা শেষে শেখ মিজানুর রহমানের আমন্ত্রনে সবাই একত্রে মধ্যাহ্নভোজ করেন।

Comments are closed.

%d bloggers like this: