পরিবর্তনের লক্ষ্যে, পরিকল্পিত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে আজীবন কাজ করে যাব -সেলিনা আক্তার সেলী

কাজী বিপ্লব হাসান: আসন্ন মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে সংরক্ষিত ৭,৮,৯ নারী আসনের এবারের প্রার্থী হয়েছেন সেলিনা আক্তার সেলী। তিনি আনারস মার্কা প্রতীক নিয়ে এবারের প্রার্থী হয়েছেন। তার সাথে সাক্ষাৎকালে জানা গেল, তার নানা আবদুল খালেক মাষ্টারও মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ২ বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। সে হিসেবে বলা যায়, নানার উত্তরসুরী হিসেবেই তিনি এবার প্রতিধ্বন্বিতা করছেন। এবার নির্বাচনে আপনি প্রার্থী হয়েছেন কেন? এর উত্তরে তিনি বললেন, মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ৭,৮ ও ৯ এই ৩ টি আসনে অপেক্ষাকৃত গরীব লোকের সংখ্যা বেশি। তাদের দিন আনে দিন খায় অবস্থা। আমি তাদের নিয়মিত সেবা করে যাচ্ছি। বিগত ২০ বছর যাবত আমি এলাকার গরীব-দুঃখী মানুষের সেবায় নিয়োজিত আছি। তাই যদি পৌরসভার একজন কাউন্সিলর হই। তাহলে এই সেবাটা আরো বেশি করে করতে পারবো এই আশায় এবার পদপ্রার্থী হয়েছি। আপনার এলাকার জনগনের কিরুপ সমর্থন পেয়েছেন? এর উত্তরে সেলিনা আক্তার বলেন, আমার এলাকার পঞ্চায়েত কমিটির পূর্ণসমর্থন নিয়েই আমি এবারের প্রার্থী হয়েছি। তাছাড়া এলাকার সাধারন জনগনেরও পূর্ণ সমর্থন পেয়েছি প্রতিধ্বন্দিতা করার জন্য। আপনার এলাকার মাদক সেবার কথা শোনা যায়। যদি জয়লাভ করেন তাহলে এ ব্যাপারে কী পদক্ষেপ নিবেন? এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথমেই আমি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার চেষ্টা করব। এলাকার কিশোর যুবকদের বুঝাবো। তাদের মাদকাসক্তি থেকে ফিরে আনার চেষ্টা করব। এ ব্যাপারে প্রশাসনের সহযোগিতা এবং এলাকার পঞ্চায়েত কমিটির সাহায্যে নিয়ে এগিয়ে যাব সমাজ থেকে মাদক দূর করার জন্য। এবারের নির্বাচন কিরুপ হবে বলে আপনি মনে করেন? এ ব্যাপারে তিনি বলেন, আশা করছি এবারের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবেই হবে। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন হলে এবারে আমি জয়লাভ করবো এই আশা করছি। একজন কাউন্সিলর হয়ে আপনি কীভাবে এলাকায় কাজ করবেন? এর উত্তরে তিনি বলেন, আমি বিগত ২০ বছর যাবত গরীবের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছি।  অনেক গরীব মানুষ আছে যাদের কোন কাজ নেই। কিন্ত তারা কাজ করতে চায়। আমি এই ধরনের গরীব দুঃখীদের নিজ প্রচেষ্টায় সেলাই শিক্ষা দিয়ে মেশিন কিনে দেই যাতে তারা স্বাবলম্বী হতে পারে। আমার পিতা হাজী আনোয়ার আলী মাদবর এলাকায় একজন সমাজসেবী হিসেবে পরিচিত ছিল। তার কাছ থেকেই গরীব দুঃখীদের সেবা করার শিক্ষা পেয়েছি।যদি এবার নির্বাচনে আপনি এবার জয়লাভ করতে না পারেন তাহলে কি করবেন?এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পাশ করি আর না করি আজীবন গরীব দুঃখীর সেবা করে যাব, সমাজ সেবায় নিয়োজিত থাকব। তাছাড়া প্রশাসনের সহযোগিতায় এলাকার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন, বাল্য বিবাহ, মেয়েদের ইভটিজিং থেকে রক্ষা করার জন্য নিজকে নিয়োজিত রাখব। সবশেষে বলতে চাই, পরিবর্তনের লক্ষ্যে পরিকল্পিত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে আজীবন কাজ করে যাব।

Spread the love

Comments are closed.