ফুটপাতে আখ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ

ফুটপাতে আখ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ

8
 তুষার আহাম্মেদ- বর্ষাকালীন রসালো ফল আখ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন মোতাহার মিয়া। তার বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলাধীন টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও গ্রামে। তিনি তার সংসার চালানোর তাগিদে প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে ছুটে যান মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলায়, সেখান থেকে পাইকারী দামে আখ ক্রয় করে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসেন তাঁর নিজ এলাকায় বালিগাঁও বাজারে। রাস্তার পাশে ফুটপাতে আখের দোকান সাজিয়ে বসেন তিনি।
গতকাল শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফুটপাতে বসে আখ বিক্রি করছেন মোতাহার মিয়া। সরকার ঘোষিত লকডাউনে আখের দোকানে তেমন ক্রেতা নেই। বেচা-কেনা কম তাই বসে আছে।
মোতাহার মিয়া জানান, করোনার আগে এই সময় বসে থাকতে পারতামনা, কাস্টমারের ভির লেগেই থাকতো। কিন্তু এখন তেমন কাস্টমার নেই তাই আখ কম আনি। আমি প্রতিদিন ১০০-১৫০টি আখ বিক্রি করি। প্রতি পিছ আখ ১৫টাকা করে কিনে আনি এবং ২০টাকা করে বিক্রি করি। গাড়ি ভাড়া খরচপাতি দিয়ে প্রতি পিছ আখে ৩টাকা করে লাভ হয়। যদি আখের সাইজ একটু ভালো হয় সেক্ষেত্রে লাভ একটু বেশি হয়।
আখ বিক্রেতা আয়নাল হক জানান, করোনা মহামারিতে আমাদের কঠিন সময় পার করতে হচ্ছে। এইদিনে আমরা প্রতিদিন যে পরিমান আখ বিক্রি করতাম করোনা ভাইরাসের কারনে এখন তার অর্ধেক ও বেচা-বিক্রি করতে পারিনা। পরিবারের খাবারের টাকা জোগাড় করতে খুব কষ্ট হয়ে যায়। যা আয় হয় কোনোমতে তা দিয়েই সংসার চালাই।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়নাল আলম তালুকদার জানান, টঙ্গীবাড়িতে ৬হেক্টর জমিতে আখ চাষ করা হয়েছে। আশানুরূপ ফলন ভালো হয়েছে। করোনা মহামারির কারনে খুচরা বিক্রেতারা তেমন বিক্রি করতে পারছেনা।

Comments are closed.

%d bloggers like this: