ভিটামিন পুষ্টি ও স্বাদের দিক থেকে কচু একটি অন্যতম সবজি

ভিটামিন পুষ্টি ও স্বাদের দিক থেকে কচু একটি অন্যতম সবজি

15

ভিটামিন পুষ্টি ও স্বাদের দিক থেকে কচু একটি অন্যতম সবজি
কাজী বিপ্লব হাসান: পুষ্টি ও স্বাদের দিক থেকে কচু একটি অন্যতম সবজি। বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন এর সাথে সাথে প্রচুর লৌহ যোগান দিয়ে থাকে কচু। প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও জেলার প্রান্তিক কৃষকরা জাতকচু, বাঁশকচু, পানিকচু এবং নারিকেল কচুর আবাদ করেছেন। এসব কচু এ কচু দাঁড়ানো অবস্থায় জমিতে থাকা পানি সহ্য করতে সক্ষম। আধুনিক পদ্ধতিতে কচু চাষ করে আর্থিক লাভবান হওয়া যায় বলে জানিয়েছেন কচু চাষিরা। এবছর জেলার কৃষকদের ভাগ্য বদলিয়ে দিতে যাচ্ছে পানি কচু আর নারিকেল কচু। নিচু জমিতে রোপন করা কচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। পাশাপাশি কচু গাছ থেকে একই সময়ে কৃষকরা শত শত কেজি কচুর লতি সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করছেন। কচুর জমিতে পানি চলে আসাতে কচুর মুখি বেশ বড় হয়েছে। বাজারে কচুর দাম আর চাহিদা বেড়ে যাওয়াতে কৃষক এবং স্থানীয় সবজি ব্যবসায়ীরা কচু বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।


সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বর্ষার পানিতে জমিগুলোতে থাকা পুষ্টিকর কচু দাঁড়িয়ে আছে। কৃষকরা কচু তুলে পাইকারী বাজারে নিয়ে বিক্রি করছেন। জেলার বাজারগুলোতে কচুশাকের চাহিদা বেড়েছে। শহরের অলিগলিতেও কচু বিক্রি হচ্ছে। কচু চাষ করে ভালো দাম পাওয়ায় হাসি ফুটেছে চাষিদের মুখে। রোগ ও পোকাও তুলনামূলক কম। কৃষকরা পাইকারী বাজারে প্রতি পিস কচুর দাম পাচ্ছেন ৫০থেকে ৬০ টাকা । কচুর লতি বিক্রি করছেন ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজিতে। একাধিক কৃষকদেরকে পাইকারী হাটে বিক্রির এসব কচু বিক্রির জন্য প্রস্তুতি নিতে দেখা গেছে।
কচু চাষি শাহজালাল দেওয়ান জানান, তিনি তার ৬০ শতাংশ জমিতে কচুর আবাদ করেছেন। তিনি আরো ২০ দিন আগে পুরো জমির কচু প্রতিপিস ৪০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে। ব্যবসায়ীরা এখন তার জমির কচু কিনে নিয়েও বেশ লাভবান হচ্ছেন। এছাড়াও হোসেন আলী নামের আরেকজন কচু চাষি জানান, পাইকারী বাজারে এখন তিনি ৫০ থেকে ৬০ টাকা পিস কচু আর প্রতি কেজি কচুর লতি বিক্রি করছেন ৫০টাকায়। এ পর্যন্ত তিনি কচু বিক্রি করে প্রায় ১ লক্ষ হাজার টাকা আয় করেছেন। জমিতে এবছর কচু বিক্রি করে প্রায় ২ লক্ষ টাকা আয় করতে পারবেন বলে আশাবাদি তিনি।

Comments are closed.

%d bloggers like this: