মশার উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন মুন্সীগঞ্জ পৌরবাসী

95

স্টাফ.  মশার উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন মুন্সীগঞ্জ পৌরবাসী। বাসায়, দোকানে, ফুটপাতে গাড়িতে যেন চলছে মশার রাজত্ব। আনেকের অভিযোগ, মশা নিশনে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না পৌর কতৃপক্ষ। তবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে প্রাধান্য দিয়ে পৌরকতৃপক্ষ কাজ করছে বলে জানায় মেয়র ফয়সাল বিপ্লবের ব্যক্তিগত সহকারী সোহেল আরমান। পৌর বাসিন্দা চা বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন ডিপটি বলেন, কয়েল ব্যবহার করে মশা দুর হচ্ছে না। একসময় কয়েল জ্বালালে মশা দূরে সরে যেত। এখন কয়েল, স্প্রে কোনো কিছুতেই কাজ হয় না। আগে শুধু রাতে মশার যন্ত্রণা থাকলেও এখন তা দিনেও শুরু হয়েছে। কিছুদিন আগে মশা নিধনে ওষুধ ছিটাতে দেখা গেলেও এখন আর তা চোছে পড়ে না। জানাযায়, মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনায় গত ৫ বছরে লক্ষ লক্ষ টাকার ওষুধ ও মালামাল ক্রয় করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। নিয়েগ দিয়েছে স্প্রেম্যান, উন্নতমানের মেশিন ও সাধারণ মেশিন এদিকে পৌরবাসী বলেন, মশা নিধনে কাজ করলেও অনেকের অভিযোগ তা হচ্ছে নামমাত্র। এ বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রম নেই। এতে মশাবাহিত রোগ বেড়েছে। তবে পৌর কতৃপক্ষ বলছে, আবারও মশা নিধনে প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে তারা ওষুধ ছিটানোর কাজ শুরু করবে। পৌরবাসী বলছে তবে মশা অতিরিক্ত পরিমাণে বেড়ে যাওয়ায় এখন পর্যন্ত তা প্রতিকারের কোনো বিশেষ ব্যবস্থা নেয়নি। এ এলাকায় এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে মশা নেই। গ্রীষ্ম আগমনের সঙ্গে মশার তীব্রতাও বেড়ে গেছে। সরেজমিনে গতে সোমবার পৌরসভার মোল্লার চর এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শীত মৌসুমে বৃষ্টি না থাকায় নালা-নর্দমা যার কারণে অন্য সময়ের তুলনায় মশার প্রজনন হারও বেড়েছে। অন্যদিকে অধিকাংশ নালা-নর্দমা ও সড়কের আশপাশ এবং ডাস্টবিনসহ বিভিন্ন স্থানে ময়লা আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকার দৃশ্যও দেখা গেছে। এসবকে দায়ী করা হচ্ছে পৌরবাসীদের তারা সচেতন না বলে মন্তব্য করেছেণ পৌর কর্তৃপক্ষ। এসব স্থান থেকেই মশার উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ পৌর কতৃপক্ষের। মা গৃহীনী বলছে দিনের বেলায়ও মশারি টানিয়ে জীবনযাপন করতে হচ্ছে। দিনের বেলায়ও মশা থেকে রেহাই মিলছে না। বাসাবাড়ি, অফিস আদালত, কর্মস্থলসহ সর্বত্রই মশার উৎপাত। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, বর্ষার মৌসুমের পরপরই, সধারণত নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মশার প্রকোপ বাড়ে। এ সময় এসব স্থানে তরল অ্যাডালটিসায়েড ওষুধ ছিটালে মশার বংশবৃদ্ধি রোধ হয়। এছঅড়া উড়ন্ত মশঅ মারার জন্য লর্ভিসায়েড নামক আরও একধরনের ওষুধ ব্যবহার করা যায়। গত ৫ বছর মুন্সীগঞ্জ পৌর মেয়র হাজ্বী ফয়সাল বিপ্লব পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে নিধন ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম কর্মসূটি চালিয়েছেন জোড়ে শোরে কিন্তু মশা তার জায়গায় আছে। মশা নিধনের কার্যক্রমের সাথে জড়িত পৌর ষ্টাফ আবুল কালাম জানান, পৌরবাসীকে সম্পৃক্ত হিওয়অর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রকাশ্য স্থানে নালা-নর্দমায় আবর্জনা ফালানো থেকে পৌরবাসীকে বিরত থাকতে হবে নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেললে মশা বংশ রোধ করা সম্ভব আমরা বর্জ্য পরিষ্কার করে নাগরিকদের সচেতনতা প্রয়োজন উল্লেখ করে বলেন, নিজ গরজেই বাসা-বাড়িতে মশার প্রজনন ও উৎসস্থল ধ্বংস এবং আবর্জনা সরিয়ে ফেলে নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলতে হবে। কেউ নালা-নর্দমায় বা খালে এবং পানি চলাচলের পথে পলিথিন বা প্লাস্টিক, বর্জ্য-আবর্জনা ফেলা যাবে না। স্থানীয় লোক জন বলছে মশা মারতে পৌরসভার পক্ষ থেকে যেসব ওষুধ ছিটানো হয় তার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সচেতন মহল বলছেন জনগনের প্রত্যক্ষ বিপুল ভোটে জয়ী মেয়র হাজ্বী ফয়সাল বিপ্লব অধিকতর জনগুরুপূর্ণ সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সে সম্পন্ন করে সেগুলো ধাপে ধাপে সম্পন্ন করার চেষ্টা করবে এমনটাই প্রতাশা।

Comments are closed.

%d bloggers like this: