Ultimate magazine theme for WordPress.

মাঝেমধ্যেই নারীদের পোশাক নিয়ে শোরগোল ওঠে বাংলাদেশের মধ্য

0 28

কাজী বিপ্লব হাসান: সম্প্রতি বোরকা পরিহিত এক নারীর তার সন্তানের সাথে ক্রিকেট খেলার দৃশ্য একটি সংবাদপত্রে প্রকাশের পর তা রীতিমত ভাইরাল হয়ে ওঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি আর মা-সন্তানের মধ্যকার ক্রিকেটীয় উচ্ছ্বাস কিংবা খেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি।

বরং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসে বহু মানুষের আলোচনার বিষয় হয়েছে ওই নারীর পোশাক। এ নিয়ে পক্ষ- বিপক্ষে আছে যেমন পুরুষ , তেমনি অনেক নারীও।

আবার শুধু চলার পথেই পোশাকের জন্য বিড়ম্বনায় পড়েছেন এমন অভিজ্ঞতা আছে বহু নারীর। তেমনি একজন ঢাকার একটি মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক নাজমুন নাহার।

“আমি বোরকা ও হিজাব পরিধান করি ছোটবেলা থেকেই। আমাকে কেউ জোর করেছে পরার জন্য তা নয় কিন্তু। আমি যে আবহ বা পরিবেশে বড় হয়েছি তাতে মনে হয়েছে, এটাতে ভালো বোধ করি। কলেজে স্কুলে পড়ার সময় নানা জন নানা মন্তব্য করতো। পর্দা মানে বোরকা নাকি-মনের পর্দাই বড় পর্দা- এমন কথা বলতো।

”বোরকা পরে দুষ্টুমি ঢাকার জন্য কিংবা বোরকা প’রে এরা দেশের জন্য কি করবে এমন বলতো। মনে করে বোরকা সব কিছুর অন্তরায়। তারা টিপ্পনী কাটতো। অনেকে মিশতো না, কারণ তারা মনে করতো বোরকা পরে, এমন কারও সাথে মিশলে প্রেস্টিজ থাকবে না,” বলছিলেন নাজমুন নাহার।

শহরের বাইরের এলাকাগুলোতে বিশেষ করে গ্রামীণ সমাজেও নারীকে নিয়মিতই নেতিবাচক মন্তব্য শুনতে হয় পোশাকের কারণে।

কুষ্টিয়া জেলায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মৌসুমি আক্তার বলছেন, কোনো পোশাক পরেই নারীকে বাজে মন্তব্য শুনতে হওয়ার ঘটনা গ্রামীণ শহর এলাকাগুলোতেও নেহায়েত কম দেখা যায় না।

“বোরকা পরলে অনেকে মনে করে মেয়েটা হয়তো কিছুটা ভদ্র। কিন্তু যে পোশাকই পরুক কটু মন্তব্য থেকে বের হতে পারছে না। বোরকা, শাড়ি, শার্ট প্যান্ট যাই পরুক, কোনো পোশাকেই মেয়েরা এখন নিরাপদ নয়, তাকে নিয়ে মন্তব্য হবেই,” বলেন মৌসুমি আক্তার।

কালেক্ট: বিবিসি বাংলা

Leave A Reply

Your email address will not be published.