মুজিব শতবর্ষে চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতায় মুন্সীগঞ্জের তুষার রায়ের চলচ্চিত্র “প্রজন্মে বঙ্গবন্ধু”

মুজিব শতবর্ষে চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতায় মুন্সীগঞ্জের তুষার রায়ের চলচ্চিত্র "প্রজন্মে বঙ্গবন্ধু"

4

তুষার আহাম্মেদ: মুন্সীগঞ্জে নির্মিত হলো সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপর নির্মিত তুষার রায়ের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “প্রজন্মে বঙ্গবন্ধু”। জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের শতবর্ষ উপলক্ষে ঘোষিত মুজিব বর্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে সরকার। এর অংশ হিসেবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় স্বল্পদৈর্ঘ চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতার। মূলত বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সকল বয়সের মধ্যে, বিশেষ করে তরুণদের এবং যুব সমাজের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “প্রজন্মে বঙ্গবন্ধু” নির্মাণ করে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন মুন্সীগঞ্জের তুষার রায়। গত শুক্রবার জেলার বিভিন্ন লোকেশনে এই চলচ্চিত্রের চিত্রায়ন করা হয়। ছবিতে বিভিন্ন দৃশ্যে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছে ১২ জন শিশু- কিশোর। ছবিটি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের নির্দিষ্ট ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে জমা হওয়ার পর থেকে ব্যাপক সাড়া পড়েছে।

নির্মাতা তুষার রায় চলচ্চিত্রটি প্রসঙ্গে বলেন,
মুজিববর্ষ উদযাপন এবং শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ  ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে সারাদেশের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের যুক্ত করার জন্য এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতা আয়োজন করার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। “আজকের সমৃদ্ধ আধুনিক বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্ন”- আমার নির্মিত ছবিটির মাধ্যমে এই বিষয়টিকে প্রন্মের কাছে তুলে এনেছি।  বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তোলার মহান স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য  বিভিন্ন সময়ে প্রদান করা দিকনির্দেশনা ভিত্তিক ভাষনগুলো ফুটিয়ে তুলতে চেষ্টা করেছি। রাজনৈতিক দার্শনিক বঙ্গবন্ধু যেসব নির্দেশনাগুলো বাঙালীকে বহু পূর্বেই দিয়েছিলেন।
আমাদের এই চর্চার মাধ্যমে আমরা বঙ্গবন্ধুকে নতুনভাবে আবিষ্কার করেছি।

চলচ্চিত্রটি নিয়ে শিশু শিল্পী মুক্তাসিম ফুয়াদের অভিভাবক মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মকবুল হোসেন জানান, এই চলচ্চিত্রে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বাংলাদেশকে নিয়ে প্রজন্মের ভাবনা। চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করা হয়েছে  অত্যন্ত আধুনিক মানে। এই চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম নতুনভাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে জানতে পারছে।

উল্লেখ্য মানসম্পন্ন চলচ্চিত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারণার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতেও ব্যাপক প্রচার চলছে। চলচ্চিত্রগুলি একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে জমা নেওয়া হচ্ছে। সেরা চলচ্চিত্র নির্বাচন করতে একটি জুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। জুরিবোর্ডের মাধ্যমে শীর্ষ দশ স্বল্পদৈর্ঘ্য নির্বাচন করা হবে। সেরা দশে প্রতি জন পাবেন ২ লক্ষ টাকার পুরস্কার।

Comments are closed.

%d bloggers like this: