মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা

2

তুষার আহাম্মেদ- মুন্সিগঞ্জের লৌহজং থানার সাব ইন্সপেক্টর আবু তাহের মিয়ার বিরুদ্ধে মুন্সিগঞ্জ আদালতে চাঁদা চেয়ে যুবককে চোখ মুখ বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) মো. রিপন শেখ বাদী হয়ে মুন্সিগঞ্জ আদালতে মামলা করলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালত-৬ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল ইউসুফ মামলাটি আমলে গ্রহন করে এফআইআর হিসেবে গন্য করার জন্য লৌহজং থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর প্রেরন করেন।

মামলার বাদী রিপন শেখ লৌহজং উপজেলার কুমার ভোগ পুর্নবাসন কেন্দ্র এলাকার মৃত- সাহেদ শেখ এর ছেলে।

মামলার সুত্রে জানা গেছে, রিপন এর স্ত্রী রুবি আক্তারের সাথে বনিবনা না হওয়ায় রুবি আক্তারের ভাই ও বোন মিলে গত ৪ সেপ্টেম্বর সকালের দিকে রিপন শেখের বাড়িতে এসে তাকে মাইরপিট করে। পরে একই তারিখে অভিযুক্ত এসআই আবু তাহের মিয়া সিভিল পোশাকে রিপনের বাড়ি থেকে জোর করে তাকে ধরে থানায় নিয়ে আসে। পরে চোখমুখ বেধে তাকে মারধর করে ৫ হাজার টাকা চাদা দাবী করে। রিপন চাদা দিতে অস্বিকার করলে এস আই আবু তাহের শেখ তাকে মারধর করে থানা থেকে বের করে দেন।

পরে সে চিকিৎসা ‌ নিয়ে মঙ্গলবার মুন্সিগঞ্জ আদালতে এসে এসআই আবু তাহের ও রিপনের স্ত্রীসহ ৫জনকে আসামী করে মামলা করে।

এসময় আদালত মামলাটি গ্রহন করে এফআইআর হিসেবে গন্য করার জন্য লৌহজং থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর প্রেরন করেন।

এব্যাপারে রিপন শেখ বলেন,আমার স্ত্রীর সাথে বনিবনা না হওয়ায় আমার স্ত্রী রুবি আক্তার এসআইআবু তাহের সহ তার ভাই বোনদের নিয়ে আমার বাড়িতে এসে আমাকে মারধর করে। পরে এসআইআবু তাহের সিভিল পোশাকে এসে আমাকে জোর করে ধরে থানায় নিয়ে চোখমুখ বেধে আমাকে বেত্রাঘাত করে । এসময় আমার নিকট ৫ হাজার টাকা চাদাদাবী করে। আমি চাদা দিতে অস্বীকার করলে এস আই আবু তাহের আমাকে মাইরপিট করে থানা থেকে বের করে দেয়। আর বলে তোর স্ত্রীকে বাড়ি লিখে না দিলে তোকে জানে মেরে ফেলবো।

এব্যাপারে মামলার বাদী রিপন শেখের আইনজীবী এডভোকেট রোজিনা ইয়াসমিন বলেন,রিপন শেখের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত মামলাটিএফআই আর হিসেবে গন্য করার জন্য লৌহজং থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত এএসআই আবু তাহেরের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে আপনার সাথে একটু পরে কথা বলছি বলে মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

Comments are closed.

%d bloggers like this: