মুন্সীগঞ্জে করোনা ভাইরাসের ছড়াছড়ি সাংবাদিককে গালি ও দায়িত্বে অবহেলায়

45

কাজী বিপ্লব হাসান, মুন্সীগঞ্জ
মুন্সীগঞ্জ জেলায় বর্তমানে ১০জন করোনা রোগে আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্ন তথ্য আদান প্রদানের জন্য জেলা সিভিল সার্জনের কাছে ফোন দিতে হয় তথ্যের জন্য। কিন্তু কায়েকবার ফোন দেয়ার পরেও ধরেননি তিনি। পরবর্তীতে তিনি ধরেছেন কিন্তু ধরার সাথে সাথে আবার আর এক খানকির পোলায় ফোন দিছে বলে গালি দেন। আব্দুস সালাম তার পরিচয় দেওয়ার পরে তিনি বলে উঠলেন সালাম সাব বলেন। আমি সাথে বলেছি আমরা আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়ার নেয়ার জন্যই ফোন দেই কিন্তু আপনি এভাবে গালি দিতে পারেন না। তিনি কোন উত্তর দেননি।

সিভিল সার্জন ডা: আবুল কালাম আজাদ সাহেবের দায়িত্বে অবহেলার কারণেই সঠিক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় আজকে মুন্সীগঞ্জে করোনা ভাইরাসে ছড়াছড়ি। দিন দিন বৃদ্ধি পাছে। বার বার জেলাকে লগডাউন করতে বলার পরেও তিনি কোনভাবেই জেলাকে লগডাউনের আওতায় আনছেন না তিনি। নারায়নগঞ্জ থেকে প্রচুর পরিমানে মুন্সীগঞ্জেস দিনে এবং রাতে হেটে মিশুকে প্রবেশ করছে একাধিকবার তথ্য দিয়েও কোন ফল পাওয়া যায়নি।

ইতিমধ্যে ক্যাভিট-১৯ এর অনেক তথ্যই সে সাংবাদিকদের থেকে নিয়ে থাকেন। তার দায়িত্বে চরম অবহেলা রয়েছে। গজারায়িার লক্ষিপুরার জলিল ও লিয়াকত এই দুইজন আক্রান্ত হওয়ার পেছনে তার অবহেলাই দায়ী বলে মনে করছেন গজারিয়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেখানে যারা আক্রান্ত হয়েছে তখন ছিড়া হ্যান্ড গ্লোভস দিয়ে তিনি চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়েছেণ।

বৃহস্পতিবার হাসপাতাল পরিদর্শনে গেলে দেথা চারজন ডাক্তার নিয়ে তিনি মিটিং করছেন। বাকী ডাক্তার হাসপাতালে নাই কেন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, লকডাউনের কারণে আসেন না।

অপরদিকে সিরাজদিখান করোনায় আক্রান্ত রোগীর লাশ এনে জানাজা ও দাফন সম্পর্কেও তিনি কিছুই জানতেন না আমি ফোন দেওয়ার পরে তিনি বলছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কাছে ফোন দিয়ে তথ্য নিতে। অনেক রোগীর তথ্য দিলেও তিনি কোন গুরুত্ব দেন না বলে অভিযোগ রয়েছে হাজার হাজার।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ গালি দেওয়ার ব্যাপারে কোন সদুত্তর দেননি। পরবর্তীতে নাসিমা বেগম নামের একজন পূর্ব শিলমন্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক। তিনি কয়েকদিন যাবৎ জ্বর, গলা ব্যাথা ও শ্বাস কষ্টে ভুগতেছেন। আজকে তার অবনতি হওয়ায় তার এক প্রতিবেশী ফোন করে জানিয়েছেন বিষয়টি। সেই তথ্যটি দেওয়ার জন্যই আমি সিভিল সার্জনকে ফোন দিয়েছিলাম।

এ ব্যাপারে গজারিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন।

সিরাজদিখান উপজেলা প্রেসক্লাব থেকে সকল সাংবাদিক এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তার শাস্তি দাবী করেছেন।

মুন্সীগঞ্জ জাতীয় অনলাইন প্রেসক্লাব থেকে সকল সাংবাদিক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তার শাস্তি দাবী করেছেন।

ম্ন্সুীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মামুনুর রশিদ খোকা বলেন, মরণ ব্যাধী করোনা ভাইরাস এবং এই মহামারিতে সকল তথ্য তার কাছ থেকেই আমাদেরকে নিতে হবে। কারণ আমরা কোন গুজবে নিউজ করতে পারি না। সেই জন্য সে সব সময় আমাদের ফোন রিসিভ করবেন। আর সে যে গালি দিয়েছে তার বিচার হওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। অন্যথায় সকল সাংবাদিকদেরকেই তিনি গালি দিয়েছেন।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক দীপক কুমার রায়কে বার বার ফোন দেওয়ার পরেও তিনি তার ফোনটি রিসিভ করেননি।

Comments are closed.

%d bloggers like this: