Ultimate magazine theme for WordPress.

মুন্সীগঞ্জে চিহ্নিত থানার দালাল কাশেমের অত্যাচারে অতিষ্ঠ সাধারন মানুষ

0 26

Shila- Almas

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ । মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় দালাল কাশেমের অত্যাচারে অতিষ্ঠ সাধারন মানুষ ? জানাযায়,সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই মুন্সীগঞ্জ সদর থানার গেইটে গিয়ে দাড়িয়ে থাকে এই কাশেম দালাল্ ? থানায় আগত সকল লোকদের সাথে সে দেখা করে বলে কি কারনে আসছেন আমাকে বলেন আমি শ্রমিক লীগের নেতা এবং এমপি সাহেবের লোক , আপনার কোন মামলা করাতে হলে আমি এমপি সাহেব কে বলে মামলা করিয়ে দিব । এইভাবে লোকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নেয় পুলিশ কে দিবে বলে অথচ থানায় মামলা করতে কোন টাকা পয়সা লাগেনা। সে পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে থানায় আসা সাধারন মানুষের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় মুন্সগিঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস্য এড.মৃনাল কান্তি দাসের লোক এই নাম ভাঙ্গিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অন্যদিকে হয়রানীর স্বীকার হচ্ছে সাধারন মানুষ ।

সাধারন মানুষ কে হয়রানীর একাধিক প্রমাণ রয়েছে ঐ নামধারী নেতা ও চিহ্নিত থানার দালাল কাশেমের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার (০২ জুন ) সদর থানার রমজানবেগ পূর্বপাড়া গ্রামে আপন মামাতো ফুফাতো ভাইদের মাঝে পারিবারিক কলহের জের ধরে মারামারি হলে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র সদর থানায় আসে ভিকটিম অভিযোগ করার জন্য আর এই অভিযোগ কে পুঁজি করে পায়তারা শুরু করে এবং থানায় এ টেবিলে ও টেবিলে আনাগোনা শুরু করে। একপর্যায়ে ঘটনার সংবাদ পেয়ে জাতীয় দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ও মুন্সীগঞ্জ ভয়েজ ডট কম এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আবু হানিফ রানা সদর থানা প্রশাসনের সাথে ঘটনার সত্যতা যাছাইয়ের জন্য সরেজমিনে গিয়ে রিপোর্ট সংগ্রহ শেষে সদর থানায় এসে অফিসার ইনচার্জের সাথে মামলা সংক্রান্ত তথ্য নিতে গিয়ে দেখা যায় আবার দালাল থানায় দাড়িয়ে আছে এবং সে সাংবাদিক কে প্রশ্ন করে আপনি ঘটনারস্থল কেন গিয়েছিলেন উত্তরে সাংবাদিক বলেন আমি সংবাদ কর্মী সত্যতা যাচাই করে সংবাদ পরিবেশন করাই আমার কাছ। আমি সরেজমিনে গিয়েছি তাতে আপনার সমস্যা কোথায় আর কেনই বা আমাকে আপনি প্রশ্ন করছেন , আমাকে প্রশ্ন না করে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসা করেন ।

একথা বলতেই সে সাংবাদিকের উপর চড়াও হয়ে বলেন আমি এমপির লোক আমার কাছে পুলিশের বেইল আছে। পুলিশ আমাদের কথায় উঠে বসে। সাংবাদিক জানতে চাইলে যে আপনি কখনো এমপির লোক পরিচয় দেন কখনো বা শ্রমিকলীগের নেতা,তো আপনি কি সব সময় থানাতেই থাকেন একথা বলাতে চড়াও সাংবাদিক কে দৌড়ে মারতে যায় কিন্তু পারেনি প্রশাসনের লোকজন উপস্থিত থাকার কারনে। পরে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলমগীর হোসাইন কাশেম কে থানা থেকে চলে যেতে বললে সে থানা ত্যাগ করে এবং সাংবাদিক কে দেখে নিবে বলে হুমকি প্রদান করে। মুন্সীগঞ্জে কথিত এই নামধারী কাশেম কে থানার দালল বলেই সকলে চিনে। সরকারী বেসরকারী সকল প্রোগ্রামের উদ্দর্তন প্রশাসনের সামনে এমনভাবে দাড়িয়ে যে তার জন্য উদ্দর্তন প্রশাশসন তথা অন্য কারো ছবিও তুলতে পারেনা সংবাদ কর্মীরা,এসকল ছবিতে প্রমান করে থাকে সে একজন ভাল লোক । দাললী করার অন্য রকম উপায় মাত্র। অন্যদিকে প্রতিদিনই প্রতারিত হচ্ছে সাধারন মানুষ ।

মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার দালালমুক্ত থানা ঘোষনা দিলেও চিহ্নিত দালল কাশেমের দৌড়ান্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এব্যপারে একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা জানান সে একই মামলার বাদী পক্ষের তদবীর নিয়ে আসে আবার একসময় বিবাদীর তদবীর নিয়ে এসে পুলিশৈর তদন্ত কাজে বিঘœ ঘটায়।

Shila- Almas

Leave A Reply

Your email address will not be published.