মুন্সীগঞ্জে, দিনভর পালিত হয়েছে মহান বিজয় দিবস।

105

কাজী বিপ্লব হাসান, মুন্সীগঞ্জ : সারা দেশের ন্যায় মুন্সীগঞ্জেও দিনভর পালিত হচ্ছে মহান বিজয় দিবস-২০১৯। এর অংশ হিসেবে সকাল ১১ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের ‘সংবর্ধনা অনুষ্ঠান’ পালিত হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ মোঃ মহিউদ্দিন।
মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম পিপিএম, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুর ইসলাম, মুন্সীগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা জেলা ইউনিট কমান্ডের প্রাক্তন সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কাদের মোল্লা, শ্রমিক লীগ নেতা এটিএম দেলোয়ার হোসেন, মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক সভ্যতার আলোর সম্পাদক মীর নাসির উদ্দিন উজ্জল দৈনিক সংবাদের জেলা প্রতিনিধি মাহাবুব আলম লিটন সহ মুন্সীগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ। এ অনুষ্ঠানে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে ৭ হাজার টাকা করে মোট ২৯ জনকে চেক তুলেদেন প্রধান অতিথি মোঃ মহিউদ্দিন। জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিষদের আয়োজনে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মহিউদ্দিন মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশে বলেন, মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে বলেই তোমরা আজ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। অনেক দেশ আছে স্বাধীনতার জন্য লড়েছেন কিন্তু আমাদের মতো এতো রক্ত, এত লাশ ও মা-বোনের ইজ্জত হনন করে স্বাধীনতা অর্জনের দৃষ্টান্ত শুধু এ দেশেই আছে। এর পেছনে রয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কৃতিত্ব। তাঁর উৎসাহেই বাঙালিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে যুদ্ধে লড়েছেন পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু স্কুল জীবনেই মিথ্যার বিরুদ্ধ লড়ে জেল কেটেছেন। সেই সিরাজ উদ্দল্লা থেকে শুরু করে কালে কালে এ দেশ বিদেশীদের চক্রান্তের শিকার হয়েছে। বঙ্গবন্ধু সেই বিদেশী চক্রান্ত ভেঙে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। ৬৬ সালে তিনি ছয় দফা দাবী তুলে ধরেন পাকিস্তানের কাছে। ৬ দফা মানে বাঙালির মুক্তির সনদ। এর জন্য তাকে জেল খাটতে হয়েছে। তবুও তিনি পিছপা হননি। ৭১ এর ৭ই মার্চের ভাষনে বঙ্গবন্ধু সকলকে যুদ্ধে জেতে বলেছেন তিনি বলেছেন, ৬ দফা মানে ১ দফা বাঙালির মুক্তি ও স্বাধীনতা চাই। তিনি মাত্র সারে ৩ বছর দেশ শাসনের পর তাঁকে স্বৈরাচারীরা সপরিবারে হত্যা করেন। দেশ অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন। তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা এখন দেশের হাল ধরেছেন। তিনি অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য প্রানপন চেষ্টা করছেন। এর নজির পদ্মা সেতু নির্মানের মতো উন্নয়নমূলক কাজ। আমরা প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উৎসাহিত করছি দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি আন্দলনের প্রেরনাকারী হিসেবে।

Comments are closed.

%d bloggers like this: