মুন্সীগঞ্জে বিপৎসীমার ওপরে পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

মুন্সীগঞ্জে বিপৎসীমার ওপরে পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

24
তুষার আহাম্মেদ – মুন্সীগঞ্জে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। অনেক গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। শনিবার সকাল ১১টায় পদ্মার ভাগ্যকূল পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। আর মাওয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
এর ফলে পদ্মা নদীর তীর সংলগ্ন শ্রীনগর, লৌহজং, টংগিবাড়ী ও মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের নিম্নাঞ্চল পানি ঢুকতে শুরু করেছে।
এদিকে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার গাড়ুরগাও, পূর্ব হাসাইল, চৌসার, বানারী, মান্দ্রা, আটিগাওসহ প্রায় ৩০টি গ্রামে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। তাদের কষ্টে দিন কাটছে।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের অফিস সহকারী জয়নাল আবেদীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, নদী তীরবর্তী নিচু এলাকাগুলোতে পানি ঢুকলোও রাস্তাঘাট এখনো পানির ওপরে রয়েছে। এভাবে পানি বাড়তে থাকলে বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে রাস্তাঘাট তলিয়ে যাবে।
টঙ্গিবাড়ী উপজেলার হাসাইল বানারী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইউপি মেম্বার আব্দুল কুদ্দুস জানান, মান্দ্রা, নগরজোয়ার, বানারী, আটিগাও, বিদুয়াইল, হাজি নোয়াদ্দা গ্রাম বর্ষার পানিতে তলিয়ে গেছে। রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে তবে এখন পর্যন্ত কোনো ত্রাণ সহযোগিতা আসেনি।
লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল আউয়াল বলেন, লৌহজংয়ের পদ্মা নদী সংলগ্ন গ্রামগুলোতে পানি ঢুকেছে। ইতোমধ্যে চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে পাঠাতে বলেছি। কোথাও কোনো ত্রাণ সহযোগিতা লাগলে তাদের তালিকা দিতে বলেছি।
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হামিদুর রহমান বলেন, শিলই গ্রামের নদীর পাড় কয়েক মাস ধরে ভাঙছে। ঘরবাড়ি, কৃষি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে । প্রথমে কয়েক জনকে ত্রাণ এবং টিন সহযোগিতা করা হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক নাহিদ রসূল বলেন, পানি বৃদ্ধি পেলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা সহযোগিতার আবেদন করেনি। তবে দুইদিন ধরে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য খোঁজখবর নিচ্ছি।

Comments are closed.

%d bloggers like this: