যাদের রক্তে দেশ স্বাধীন হয়েছে তাদেরকেও মনে রাখে না ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বর এই দুইদিন ছাড়া।

যাদের রক্তে দেশ স্বাধীন হয়েছে তাদেরকেও মনে রাখে না ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বর এই দুইদিন ছাড়া।

3

কাজী বিপ্লব হাসান :যাদের রক্তে দেশ স্বাধীন হয়েছে তাদেরকেও মনে রাখে না ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বর এই দুইদিন ছাড়া। দেশ যখন স্বাধীন হয়, আমাদের প্রাণ প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালিন সময় বাংলাদেশ একটি ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতিতে একটি পরিবারের একজন উপার্জনকারী ব্যক্তি যখন শহীদ হয়, তখন ঐ পরিবারটির ব্যহাল অবস্থা হয়। ঐ মূহুর্তে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শহীদ পরিবারদের দিকে সহনুভূতির দুই হাত বাড়িয়ে দেন। তৎকালিন সময় শহীদ পরিবারদের চলার জন্য এক হাজার টাকা করে প্রদান করেন। আপনি কি চিন্তা করেছেন স্বাধীনের পর পর দেশের খাদ্য টাকা পয়সার এত অভাব ছিল। তখনি তিনি শহীদ পরিবারদের সহনুভ‚তির সাথে সকল পদের সার্বিক সহযোগিতা করেছেন। আপনি কি চিন্তা করিতেন? তাৎকালিন সময় এক হাজার টাকার মানে কি? এক হাজার টাকায় একটি পরিবার স্বচ্ছল ভাবে চলতো। বড় দুঃখের বিষয় এই যে, ৫০ বছর পর এসেও একটি শহীদ পরিবারকে ১৬ ই ডিসেম্বর ও ২৬ শে মার্চ ছাড়া তাদেরকে আর কোনো খোঁজ খবরই নেওয়া হয় না। যদিও নেওয়া হতো নামমাত্র কিছু টাকা পয়সা দিয়ে, শহীদ পরিবারের কেউ কেউ বলেন আমাদের সরকার এই বিষয়টিকে একটু খেয়াল করেছেন। বিশেষ করে আমাদের প্রাণ প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবরের ঘনিষ্ট সহচর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি মুন্সীগঞ্জ জেলার মোঃ মহিউদ্দিন ভাই আমাদের প্রতি অধিক সহযোগিতার অনুদান বাড়িয়ে দেন। আমাদের সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকেন। এমন কি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের ভাতা, সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকেন। মুক্তিযোদ্ধাদের আরও দেওয়া হোক তাতে কারও কোনো অসুবিধা থাকার কথা নয়। কিন্তু প্রশ্ন থাকে যে, সেই সুবিধাটা কি শহীদ পরিবার পেতে পারেনা? বাংলাদেশে এই শহীদ পরিবারগুলোকে সুদৃষ্টিতে তাকালে শহীদ পরিবারগুলো দু-মুঠো ভাত খেয়ে জীবন-যাপন করতে পারে। অথচ মুক্তিযোদ্ধা সংসদগুলো শহীদ পরিবারদের কোনো মূল্যয়ন-ই করে না। তাদের পরিবার গুলো কি হালে আছে তাদের কোনো খোঁজ খবর নেওয়া হয় না। মুক্তিযোদ্ধাসংসদ শহীদ পরিবারদের প্রতি একটু খোঁজ খবর নিলে তাদের সকল দুঃখ কষ্ট দূর হয়ে যেতো।

Comments are closed.

%d bloggers like this: