শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে কদম ও কুঞ্জলতা নামে দুটি ফেরি উদ্বোধন

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে কদম ও কুঞ্জলতা নামে দুটি ফেরি উদ্বোধন

0

তুষার আহাম্মেদ- শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ‘কদম’ ও ‘কুঞ্জলতা’ নামের নতুন দুটি ফেরি (মিডিয়াম) উদ্বোধন করলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) বিকেলে ফিতা কেটে তিনি ফেরি দুটি উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ বলেন, একসময় বাংলাদেশ খুব অন্ধকারে ছিল। খারাপ সংবাদ দেখতে দেখতে আমরা অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম। খুন, ঘুম, হত্যা, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদে এতো বেশি পরিচিত হয়ে গিয়েছিলাম যে ভালো সংবাদ আমাদের কাছে আসত না। সকাল বেলা উঠলেই একটি দুঃসংবাদ নিয়ে যাত্রা শুরু করতে হতো। সেই বাংলাদেশ এখন বদলে গেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রতিদিন কোনো না কোনো সুসংবাদ নিয়ে সরকার জনগণের সামনে হাজির হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে ১২ বছরে নদীমাতৃক বাংলাদেশে নৌখাতের বিনিয়োগ ও অর্জন অভূতপূর্ব।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ১৫টি ফেরি চলাচল করত। এখন নতুন দুটি ফেরি যুক্ত হওয়ায় ১৭টি ফেরির মাধ্যমে এ রুটে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার আরও সহজ হবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রসাশন) সুমন দেব।

বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা যায়, উদ্বোধন হওয়া প্রতিটি ফেরির নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ১০ কোটি ৭১ লাখ ২১ হাজার ৬০০ টাকা। প্রতিটি ফেরির দৈর্ঘ্য ৪২.৭০ মিটার ও প্রস্থ ১২.২০ মিটার। প্রতিটি ফেরি ২৫ টন ওজনের ১২টি ট্রাক এবং ১০ জন যাত্রী বহন করতে পারবে।

এনিয়ে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে মোট ফেরির সংখ্যা দাঁড়াল ১৭টি। এগুলোর মধ্যে চারটি রোরো, ছয়টি ডাম্ব, ছয়টি মিডিয়াম ও একটি ছোট ফেরি রয়েছে। ফেরি দুটি তৈরি করেছে হাইস্পিড ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড।

Comments are closed.

%d bloggers like this: