শ্রীনগরে সরকারী সম্পত্তি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি

6
তুষার আহাম্মেদ- শ্রীনগরের পূর্ব আটপাড়া গ্রামের মামা ভাগিনার মধ্যে সরকারী ৬৩ শতাংশ জমি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানায়।
গতকাল ১১ জুন শুক্রবার বিকাল ৪ টায় পূর্ব আটপাড়া গ্রামের মাঝি বাড়ীর সাইদ মাঝির বাড়ীতে সালিশ করার জন্য একই গ্রামে মৃতঃ শেখ আনোয়ার হোসেন ছেলে মিজানুর রহমান মিজান (৩৫) নিজে বাদী হয়ে, নানা মৃতঃ হাবিবুর রহমান হবি মাঝি তার বাবা কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে ৬৩ শতাংশ ক্ষেত চাষাবাদ করে খাওয়ার মৌখিক চুক্তি করেন বলে বিচার দাবী করেন। কিন্তু গত ৩ মাস আগে জানতে পারে ঐ ৬৩ শতাংশ জমি তার বড় মামা খলিলুর রহমান মাঝি ও মৃতঃ কেফু মাঝির ছেলে বাবুল মাঝি(৪৮) দুইজন মিলে মিথ্যা নামজারিসহ দলিলপত্র করে ফেলেছে নিজের নামে,এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সালিশের জন্য এলাকার চেয়ারম্যান সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে বিষয় টি জানিয়েছেন বলে জানাযায়। সরকারি সম্পত্তির বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার মুরুব্বিরা বিচার সালিশে আসতে মানা করলে সালিশ করতে ব্যর্থ হয় দূমিদস্যু মিজান ।
স্হানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব আটপাড়া গ্রামের পূর্বের চকে কালার ক্ষেত নামে পরিচিত  সরকারী  ৬৩ শতাংশ সম্পত্তি ভূমিদস্যু মিজান ও জসিমরা ভোগদখল করে আসছে কিন্তু খলিল ও বাবুল জাল দলিল করে সরকারি সম্পত্তি নিজের নামে করায় মিজান সম্পত্তি পূর্ণ উদ্ধারের জন্য বিচার সালিশ ডাকে। সরকারী সম্পত্তি  জাল দলিলের পেছনে খলিলের ছোট  ভাই নজরুল ইসলাম মাঝি ( গিরিঙ্গি নজু) সে এবিষয়ে পারদর্শী এবং ওয়ারিশদের সম্পত্তি নিজের নামে করে, এনিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এবিষয়ে মিজানের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি কথা বলতে রাজি নন বলে জানান ।
খলিলুর রহমান মাঝি ও বাবুল মাঝির সাথে যোগাযোগ করলে তাদের কাউকে বাসায় পাওয়া যায়নি এবং মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এব্যাপারে উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে তার নাম্বারটি ব্যস্ত পাওয়া যায়।

Comments are closed.

%d bloggers like this: