Ultimate magazine theme for WordPress.

সফল সবজি চাষী জসিম কাজী

37

কাজী বিপ্লব হাসানঃ একজন সফল সবজি চাষী জসিম কাজী। মহাকালী ইউনিয়ন পরিষদের মধ্য মহাকালী গ্রামেই তার ভিটেবাড়ি। তিনি প্রতি বছর শীতকালীন সবজি আবাদ করেন। তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হলো নিজের সীম ক্ষেতে তিনি সীম তুলছিলেন। এ বছর তিনি কী কী চাষ করেছেন তার উত্তরে তিনি বললেন, আমি এ বছর ২০০ শতাংশ জমিতে শীতকালীন সবজি চাষাবাদ করছি। এর মধ্যে আছে সীম, লাউ, ফুলকপি, মুলা,কাঁচা মরিচ, বেগুন, মিষ্টি কুমড়া ও জালি। এই সবজি চাষে তার কিরূপ খরচ পড়ে এর উত্তরে তিনি জানান, এই বছর আমার প্রায় ৫লাখ টাকা লাগছে সবজি চাষে। ক্ষেতে ফলন কিরূপ হয়েছে তা জানতে চাইলে বলেন, ফুলকপি ভালোই হইছিল উঠাইয়া ফালাইছি, সীমের ফলনও ভালোই হইছে, মুলার উৎপাদনও ভালোই আছে। অন্য ক্ষেতের সবজি এখনও তুলি নাই। তবে লাউ ও জালি ক্ষেতে আমার এবার অনেক ক্ষতি হইছে। গত মাসের ঝড়-তুফান ‘বুলবুলের’ দিন অনেক কড়া লাউ ও জালি নষ্ট হইয়া গেছে, মাঁচা ভাইঙ্গা গ্যাছেগা। তাই আবার নতুন কইরা লাউ ও জালি বুনছি। এতে আমার ১লাখ টাকার মতো ক্ষতি হইছে। বাকি তোলা সবজির ফলনও ভালোই মনে হইতাছে। তারপর যদি বাজারে ন্যায্য দামটা পাই তাইলে হয়ত আমার মূলধনের টাকাটা উঠাইতে পারুম, কিছু লাভও করতে পারুম। এমনই অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন সবজি চাষী জসিম কাজী।

তার ক্ষেতের পাশের জমিতে ধনে পাতা তুলছিলেন আরেক সবজি চালী আব্দুল কাদের। তিনি বলেন, গত বছর লাভ পাই নাই, তাই এবছর শুধু ৫২ শতাংশ জমিতে ধনে পাতা ও মিষ্টি কুমড়া চাষ করছি। ধনে পাতা উঠাইতাছি। তবে রৌদ্র নাই বইল্লা কুমড়া ক্ষেতের পাতা হলুদ হইয়া যাইতাছে। রৌদ্র ভালো হইলে পোকামাকড় কম হইব, কুমড়ার ফলনটাও ভালো হইব আশা করছি।

জসিম কাজী আরো বলেন, যদি কৃষি অফিস থাইকা কিছু সহায়তা পাই, যেমন সার ও বীজ দিয়া আমাদের সাহায্য করে তাইলে আমাদের মতো কৃষকদের জন্য আরো একটু বাড়তি সুবিধা হইত সবজি চাষে।

Comments are closed.