সিরাজদিখানের কামারশালা গুলোতে চলছে কাজের ব্যাস্ততা

সিরাজদিখানের কামারশালা গুলোতে চলছে কাজের ব্যাস্ততা

13
তুষার আহাম্মেদ- কয়েক দিন পর ঈদ উল আযহা। ইসলাম ধর্মের মানুষেরা পশু কোরবানির মাধ্যমে এই ঈদ পালন করেন।  পশু কোরবানির মাংস কাটার জন্য প্রয়োজন হয় দা, বটি, ছুরি, চাপাতিসহ অন্যান্য মাংস কাটার সরঞ্জাম। সকলেই এসময় নতুন  সরঞ্জাম কেনা সহ বাড়িতে থাকা পুরনো বটি চাপাতি-ছুরি শানাতে আসছে কামার শালাতে। তাই এই ঈদকে  সামনে রেখে কামারশালায় ব্যস্ত সময় পার করছে মুন্সীগঞ্জের  সিরাজদিখান  উপজেলার কামাররা।
ঈদ যতো ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে তাদের কর্ম ব্যস্ততা।  কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য স্থানীয় ভাষায় চাপাতি, ছুরি, দা, বটি ইত্যাদি তৈরি করতে টুং টাং শব্দে মূখরিত প্রতিটি কামারশালা।
ভোর থেকে শুরু করে গভীর রাত  পর্যন্ত চলে পশু কোরবানীর সরঞ্জাম তৈরির কাজ। ঈদের আগে ডেলিভারি করতে হবে সরঞ্জাম তাই অতিরিক্ত লোক লাগিয়েছে অনেক কামার শালায়। অনেক কামারশালায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে নতুন কাজের অর্ডার নেওয়া।
উপজেলার মালখানগর   ইউনিয়নের কামারশালার মালিক  প্রধান কারিগর রাজন মন্ডল জানান, লকডাউনের কারনে সারাবছর তেমন কাজ না থাকলেও কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কাজের চাপ বেড়েছে। সারাবছর আমি আর একজন কারিগর  মিলে কোনরকমে কামারশালা চালিয়ে সংসার চালাই। এখন কোরবানি ঈদ তাই আমাদের পাশাপাশি আরো দুজন কারিগর নিয়েছি চারজনে মিলে রাতদিন কাজ করছি ঈদের আগে মাল ডেলিভারি দেয়ার জন্য।
আরেক কারিগর জুবায়ের  বলেন, এবছর পুরনো জন্ত্র সান দেওয়ার চেয়ে নতুন সরঞ্জাম তৈরির সংখ্যা বেশি। প্রতিটি সরঞ্জাম বানাতে খরচ পরে চাপাতি  ৪শ টাকা হতে ১২শ টাকা পর্যন্ত আছে। ছোট ছুরি ১’শ থেকে ১৫০টাকা, মাঝারি ছুরি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, গরু জবাই করার ছুরি ৫ থেকে ১ হাজার টাকা।
ছুরি কিনতে আসা আক্কাস শেখ জানান,  ঈদের আর কয়েকদিন বাকি আছে। তাই পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম কিনার কাজটি আগেই সেরে ফেলছি। গত বছরের চেয়ে এবার একটু দাম বেশি। জিনিস প্রতি ৫০ থেকে ১’শ টাকার চেয়েও বেশি

Comments are closed.

%d bloggers like this: