সেতু অতিক্রমের সময় বাড়তি সতর্কতার নির্দেশ

সেতু অতিক্রমের সময় বাড়তি সতর্কতার নির্দেশ

0
তুষার আহাম্মেদ-  ‘ফেরি চালানোর সময় কথা বলা যাবে না’
ফেরি চালানোর সময় কারও সঙ্গে কথা বলা যাবে না। অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে নৌপথে ফেরি চলাতে হবে।তাহলে ফেরিতে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন সংস্থার (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম।
বিআডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান বলেন, সম্প্রতি পদ্মা সেতুতে কয়েক দফা ফেরির ধাক্কা লাগার ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। তবে নাবিকরা যদি আরও দক্ষ ও মনোযোগী হতো তাহলে এরকম ঘটনা হয়তো ঘটতো না। এজন্য ফেরির নাবিক, সুকানি, মাস্টারকে নিয়ম মেনে নৌপথে ফেরি চালাতে হবে।
অন্যদিকে পদ্মা সেতু অতিক্রমের সময় বাড়তি সতর্কতা মেনে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া- মাদারীপুরের বাংলাবাজার এবং শরিয়তপুরের মাঝিকান্দি মঙ্গল মাঝিরঘাট নৌপথে লঞ্চ চলাচল করতে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
এছাড়া লঞ্চের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী পরিবহন, চালুর পূর্বে ইঞ্জিন যথাযথভাবে পরীক্ষা, জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জামাদি নিশ্চিত করার জন্যও বলা হয়েছে।
নৌপথে সেতুর ৩৩-৩৫ নম্বর পিলার পর্যন্ত ১৫০ মিটারের মধ্যে এবং মাগুরখন্দ-হাজরা চ্যালেনের মুখে তীব্র ঘূর্ণায়মান স্রোতের কারণে লঞ্চ চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া এর আগে যাত্রীবাহী ট্রলার চলাচল এবং ট্রলারে মোটরসাইকেল পারাপার বন্ধ করতে চিঠিও দেওয়া হয়েছে।
শিমুলিয়া নদী বন্দরের নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী পরিচালক ও সহকারী বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শাহাদাত হোসেন এসব তথ্য জানান।
এ কর্মকর্তার সই করা চিঠি সূত্রে জানা যায়, পদ্মা নদীতে প্রতি ঘণ্টায় ৬-১০ কিলোমিটার বেগে স্রোত বয়ে যাচ্ছে। নদীর বিভিন্ন স্থানে তীব্র ঘূর্ণন তৈরি হচ্ছে। যা লঞ্চ চলাচলের জন্য স্বাভাবিকভাবেই আশংকাজনক। এজন্য জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জামাদি রাখা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এছাড়া ২২ আগস্ট থেকে যাত্রীবাহী ট্রলার ও সার্ভে সনদ ও রেজিস্ট্রেশন বিহীন লঞ্চ বন্ধ থাকার কারণে যাত্রীদের চাপ বেশি। পাশাপাশি ফেরি বন্ধের কারণে যাত্রীরাও যাতায়াত করছে। অতিরিক্ত যাত্রী বহণের দায়ে ১০টির বেশি লঞ্চকে আর্থিক, অনার্থিক জরিমানা ও দণ্ডের মুখোমুখি হতে হয়েছে। একাধিক লঞ্চকে সারাদিনের জন্য চলাচলে নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়।

Comments are closed.

%d bloggers like this: