১২ দিনে এক কোটি মানুষ আক্রান্ত

20

অনলাইন ডেস্ক: চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। এরমধ্যে এক কোটি রোগী মাত্র ১২ দিনে শনাক্ত হয়েছে।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সবশেষ তথ্যে দেখা গেছে, শুক্রবার বিশ্বজুড়ে ১৫ কোটির নতুন খারাপ উচ্চতায় পৌঁছে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা। এ সময়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩১ লাখ ৬৭ হাজার। সুস্থতার সংখ্যাও অবশ্য বাড়ছে, মোট সুস্থ হয়েছেন ৮ কোটি ৭৬ লাখ জন।

শুক্রবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্তও হয়েছে ভারতে ৩ লাখ ৮৬ হাজার। এরপর গত একদিনে ব্রাজিলে ৭৯ হাজার ৭২৬ জন এবং যুক্তরাষ্ট্রে ৫৩ হাজার ৮৭৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

গত একদিনে সবচেয়ে কম একজন আক্রান্ত হয়েছেন সামোয়া নামের দেশটিতে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইভ আপডেট অনুযায়ী, সর্বমোট আক্রান্ত ও মৃত্যুর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার পর্যন্ত ৩ কোটি ২২ লাখ সংক্রমিত হয়েছে। এ সময়ে মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৭৫ হাজার ১৯৭ জনের।

সর্বশেষ কয়েক দিনে চরম দুর্দশার মধ্যে পড়া ভারত আক্রান্তের দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং মৃত্যুতে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। দেশটিতে এক কোটি ৮৭ লাখের মধ্যে করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ৪৪৭ জন।

সংক্রমণে তৃতীয় কিন্তু মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিলে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৪৫ লাখ এবং মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ১ হাজার ১৮৬ জনের।

মৃত্যুর দিক থেকে তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা মেক্সিকোতে সংক্রমণের সংখ্যা কম। মোট মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৩৩০ জনের। আক্রান্তের সংখ্যা ২৩ লাখ ৪০ হাজার।
ফ্রান্সের অবস্থান আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে মোট ৫৬ লাখ ৫৩ হাজার।তবে মৃত্যুর দিক থেকে তালিকায় নিচের দিকে ৮ নম্বরে, মোট মারা গেছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৩৮৫ জন।

আক্রান্তের দিক থেকে পাঁচ নম্বরে থাকা তুরস্কে সংক্রমিত হন মোট ৪৭ লাখ 88 হাজার। মৃত্যু হয়েছে ৩৯ হাজার ৭৩৭ জনের।

সংক্রমণেরর তালিকায় এর পরে রয়েছে রাশিয়া ৪৭ লাখ ৫০ হাজার (মৃত্যু ১ লাখ ৮ হাজার ২৯০), যুক্তরাজ্য ৪৪ লাখ ২৯ হাজার (মৃত্যু ১ লাখ ২৭ হাজার ৫৯), ইতালি ৪০ লাখ ৯ হাজার (মৃত্যু ১ লাখ ২০ হাজার ৫৪৪)।

আক্রান্তের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম। সবচেয়ে কম আক্রান্ত ১ জন মাইক্রোনেশিয়ায়।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী ১৯২ দেশে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। ডব্লিউএইচওর পরিসংখ্যানে ২২৩ দেশে নতুন এই করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

২০১৯ সালের শেষ দিকে চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া কোভিড-১৯ নামের নতুন এই করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ব ব্যবস্থা নতুন এক বিপর্যয়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

বছর পেরিয়ে ২০২১ সালে বিশ্বে করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে নতুন আশা তৈরি হলেও দ্বিতীয় ঢেউয়ের তোড়ে তা খুব বেশি কাজে আসছে না। নতুন ধরন নিয়ে একেক দেশে একেকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে সংক্রমণ।

মানবকণ্ঠ/এসকে

 

 

Comments are closed.

%d bloggers like this: