Ultimate magazine theme for WordPress.

24
স্টাফ: মুন্সিগঞ্জের সদর থানার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের নয়াকান্দি গ্রামে ১৩মার্চ শনিবার দুপুরের দিকে ট্রলি দিয়ে আলু নামানো কেন্দ্র ককটেল হামলায় লাশ হলো গনি মিয়ার ছেলে জালাল বেপারী । এ ঘটনায় আহত হয়েছে ৫জন।  রাকিব, সেকান্দর ,সেলিম বেপারী ,স্বপন , ও আরিফ ।
তারা সকলেই ককটেলের স্প্রিন্টারে আহত হয়েছে। তাদের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
 এ হত্যাকান্ড ঘটায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা  জানায় গনিমিয়ার ছেলে জালাল বেপারী দীর্ঘ সময় ধরে আলুর মৌসুমে ৩টি টলি দিয়ে আলু বহন করে আসছিলো জমি থেকে।  কিন্তু তাতে বাধ সাধে একই গ্রামের সেন্টু বেপারীর ছেলের লোকজন। তারাও আলু নামাতে চায়।এ বিষয়টি গতকাল মিমাংসা করে দেন জালালের বড় ভাই ফারেজ।কিন্তু ১৩মার্চ শনিবার এ নিয়ে মেম্বারের লোকজন  ট্রলির সিরিয়াল নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় জালালের সাথে। কথাকাটাকাটির জের ধরে মাঠে কাজরত জালালের উপড় দুপুর  দিকে ককটেল হামলা করে  মেম্বারের লোকজন। তারা ৫/৬টি ককটেল ছুড়ে মারে জালালের উপড়।এতে তার মাথা উড়ে যায় এবং মাথার মগজ বের হয়ে গেলে ঘটনাস্থলেই জালালের মৃত্যু হয়। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী সেকান্দর জানান, নিহতের ফুপাতো ভাই দেলু মিজি  ও চাচাত ভাই কাইল্লা বেপারী এর নেতৃত্বে বালতি ভর্তি ককটেল নিয়ে খালেক দেওয়ান,স্বপন,শিপন,রাসেল ,হারুন ,আলমগীর ও জুয়েল এ হামলা চালায়।
এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ তা নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে।বর্তমানে সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ঘটনাস্থলে রয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফজাল মাহফুজ।
তিনি বলেন যতক্ষন পর্যন্ত পরিবেশ শান্ত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা এখানে অবস্থান করবো।তিনি আরো বলেন অপরাধীর দ্রত গ্রেফতার করা হবে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে ময়নাতদন্ত্র শেষে নিহতের লাশ গ্রামের পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হবে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্ততি চলছিলো।

Comments are closed.