বিজিবির সাথে জনতা, পুশইনের শঙ্কায় বকবান্ধা ও ঝাউবাড়ি সীমান্তে জোরদার নিরাপত্তা

  অনলাইন ডেস্ক:  সীমান্তে বিজিবি ও সাধারণ মানুষের এই যৌথ সতর্ক অবস্থান প্রমাণ করে, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে সীমান্তবাসী সবসময়ই দায়িত্বশীল এবং সচেতন।

ড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার সীমান্তজুড়ে আবারো দেখা দিয়েছে পুশইনের শঙ্কা। এমন পরিস্থিতিতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় জনসাধারণও সীমান্ত নিরাপত্তায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিজিবি ও সীমান্তবাসীর এই সম্মিলিত উদ্যোগ প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

রোববার (৭ জুন) রাত ১০টার দিকে বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের সদরটিলা ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় কয়েকজন ভারতীয় বাঙালিকে জড়ো করেছে। তাদের বাংলাদেশে পুশইনের উদ্দেশ্যে সীমান্তে আনা হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্র জানায়, জামালপুর ব্যাটালিয়নের (৩৫ বিজিবি) অধীন ঝাউবাড়ী ও খেয়ারচর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার মেইন পিলার নং ১০৬৮ থেকে ১০৭১ পর্যন্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেন। সম্ভাব্য পুশইন প্রতিহত করতে সীমান্তে টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়।

এদিকে সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত সাধারণ মানুষও বিজিবির পাশে দাঁড়িয়েছেন। স্থানীয়রা লাঠিসোঁটা নিয়ে সীমান্ত এলাকায় সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করে টহল কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন। তাদের মতে, দেশের সীমান্ত সুরক্ষিত রাখা শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব নয়, এটি প্রতিটি নাগরিকেরও কর্তব্য।

স্থানীয়দের এমন অংশগ্রহণ সীমান্ত এলাকায় এক ধরনের ঐক্য ও সচেতনতার বার্তা দিয়েছে। সীমান্তবাসীরা বলছেন, কোনোভাবেই অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাত পর্যন্ত সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল এবং বিজিবির নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

সীমান্তে বিজিবি ও সাধারণ মানুষের এই যৌথ সতর্ক অবস্থান প্রমাণ করে, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে সীমান্তবাসী সবসময়ই দায়িত্বশীল এবং সচেতন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *