আবু সাঈদ দেওয়ান সৌরভ,মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় পূর্ব বিরোধের জেরে জহিরুল ইসলাম জয়কে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত ০৩ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাত ০৭ ঘটিকা থেকে ০৯ টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও, ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আলাউদ্দিন (৬৫), শাকিল (২৭), জসিম (৪৫) নামে তিন জনকে গ্রেফতার করে র্যাব-১১।
আটক আলাউদ্দিন (৬৫), পিতা-মৃত মাহমুদ হোসেন,০২। শাকিল (২৭), পিতা-আলাউদ্দিন, ০৩। জসিম (৪৫), পিতা-মৃত মাহমুদ হোসেন, সর্ব সাং-হোগলাকান্দি, তিনজনই গজারিয়া উপজেলার বাসিন্দা।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র্যাব-১১।

এজাহার সূত্রে ও বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, আধিপত্য ও পূর্ববিরোধের জেরে চৌদ্দকাউনিয়ার নুর জামান মিয়ার পরিবারের সঙ্গে মো. হাসান ওরফে বেকু হাসান, নান্নু ও লালুদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে কয়েক দফায় হামলার শিকার হন নুর জামানের পরিবারের সদস্যরা। দুই পক্ষের মধ্যে একাধিকবার মারামারির ঘটনাও ঘটে। এ বিরোধের জেরে গত ২৬ শে নভেম্বর রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের দিকে চৌদ্দকাউনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় গ্রেফতারকৃত আসামিদের নেতৃত্বে ২০/২৫ জন লোক সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে জয়ের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা জয়কে দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। জয়ের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে উদ্ধার করে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে মৃত ভিকটিমের বোন বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত ঘটনাটি ঘটার পরপরই বিভিন্ন টিভি এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচারের মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।
পরে, এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জের এর একটি আভিযানিক দল নিজস্ব গোয়েন্দা নজরদারি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ১৭ ডিসেম্বর (বুধবার) রাত ০৭ টা থেকে ০৯ টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও, ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সূত্রে বর্ণিত মামলার এজাহারনামীয় আসামি আলাউদ্দিন (৬৫), শাকিল (২৭), জসিম (৪৫) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।